Dhaka ০৬:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
English
সংবাদ শিরোনাম :
Logo শর্ত না মানলে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের বাতিল হতে পারে ভিসা: মার্কিন দূতাবাস Logo বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের ভিসা স্থগিতের সিদ্ধান্ত বাতিল করেছেন মার্কিন আদালত Logo ভূমধ্যসাগর থেকে উদ্ধার ২৯ বাংলাদেশি, ২৪ জনই সিলেটের Logo বিদেশি পাসপোর্টধারীদের জন্য অনলাইনে ইডি কার্ড ও অন-অ্যারাইভাল ভিসা সহায়তা চালু Logo বোয়িং ৭৮৭-৯ এ প্রথম স্টারলিংক চালু করল কাতার এয়ারওয়েজ Logo ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন মির্জা ফখরুল Logo কুয়েতে বন্ধ হচ্ছে ভিসার স্বয়ংক্রিয় মেয়াদ বৃদ্ধি Logo মন্ত্রিসভায় যুক্ত হচ্ছেন ৪ নতুন মুখ, শপথ পড়াবেন নতুন রাষ্ট্রপতি Logo মালয়েশিয়ায় ৮৭ বাংলাদেশি অভিবাসী আটক Logo যে কারণে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ৬ সংসদ সদস্য ভোট দেননি

যে কারণে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ৬ সংসদ সদস্য ভোট দেননি

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ১০:৫০:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬
  • ৩ জন দেখেছেন

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানাসহ ছয় এমপি ভোট দেননি। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তারা ভোটদানে বিরত ছিলেন কিংবা অপারগ ছিলেন।

ভোট না দেয়া ছয় সংসদ সদস্যের মধ্যে বিএনপির মির্জা আব্বাস ও মোস্তফা কামাল পাশা বিদেশে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বিএনপির সংসদ সদস্য ওসমান ফারুকও ভোট দিতে আসেননি। খেলাফত মজলিসের সংসদ সদস্য আবুল হাসান বিদেশে অবস্থান করায় তিনিও ভোট দেননি বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব আহমদ আব্দুল কাদের।

এ ছাড়া জামায়াত থেকে বহিষ্কৃত সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকেও ভোট দিতে দেখা যায়নি।

বর্তমান সংসদে বিএনপির আসলাম চৌধুরীর সংসদ সদস্য পদ আদালতের রায়ে বাতিল হওয়ায় সংরক্ষিত নারী আসনসহ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য। এর মধ্যে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৫৫ ভোট পেয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন। জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যের প্রার্থী অলি আহমদ পেয়েছেন ৮৮ ভোট। ছয়জন ভোটদানে বিরত ছিলেন।

ভোট না দেয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে রুমিন ফারহানা বলেন, তার কাছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অর্থহীন ও প্রহসনের মনে হয়েছে। নির্বাচনে অনিশ্চয়তা না থাকলে সেটিকে প্রকৃত নির্বাচন বলা যায় না। কারণ ফলাফল আগে থেকেই জানা ছিল।

রুমিন ফারহানা আরও বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর দেশের মানুষের আত্মত্যাগ ও প্রত্যাশার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে একজন অরাজনৈতিক ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে মনোনীত করা যেত। কিন্তু তা করা হয়নি।

তার মতে, ভোট না দেয়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের প্রসঙ্গ। রুমিন ফারহানার অভিযোগ, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগে বিএনপি দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে ভোট দিলে সংসদ সদস্য পদ হারানোর বিষয়টি সামনে এনেছে। এমন পরিস্থিতিতে তিনি ভোট দেয়াকে প্রহসন হিসেবে দেখেছেন।

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো রাজনৈতিক দলের মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর ওই দল থেকে পদত্যাগ করলে তার সংসদ সদস্য পদ শূন্য হবে। একইভাবে সংসদে নিজ দলের বিপক্ষে ভোট দিলেও সংসদ সদস্য পদ থাকবে না।

এদিকে ভোট চলাকালে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব গাজী আতাউর রহমানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, দলটির একমাত্র সংসদ সদস্য মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন অলিউল্লাহ ভোটদানে বিরত থাকবেন। জুলাই সনদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে হওয়া ঐকমত্যের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার অভিযোগে দলটি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। তবে পরে জানা যায়, ইসলামী আন্দোলনের ওই সংসদ সদস্য ভোট দিয়েছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

শর্ত না মানলে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের বাতিল হতে পারে ভিসা: মার্কিন দূতাবাস

যে কারণে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ৬ সংসদ সদস্য ভোট দেননি

প্রকাশের সময় : ১০:৫০:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানাসহ ছয় এমপি ভোট দেননি। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তারা ভোটদানে বিরত ছিলেন কিংবা অপারগ ছিলেন।

ভোট না দেয়া ছয় সংসদ সদস্যের মধ্যে বিএনপির মির্জা আব্বাস ও মোস্তফা কামাল পাশা বিদেশে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বিএনপির সংসদ সদস্য ওসমান ফারুকও ভোট দিতে আসেননি। খেলাফত মজলিসের সংসদ সদস্য আবুল হাসান বিদেশে অবস্থান করায় তিনিও ভোট দেননি বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব আহমদ আব্দুল কাদের।

এ ছাড়া জামায়াত থেকে বহিষ্কৃত সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকেও ভোট দিতে দেখা যায়নি।

বর্তমান সংসদে বিএনপির আসলাম চৌধুরীর সংসদ সদস্য পদ আদালতের রায়ে বাতিল হওয়ায় সংরক্ষিত নারী আসনসহ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য। এর মধ্যে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৫৫ ভোট পেয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন। জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যের প্রার্থী অলি আহমদ পেয়েছেন ৮৮ ভোট। ছয়জন ভোটদানে বিরত ছিলেন।

ভোট না দেয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে রুমিন ফারহানা বলেন, তার কাছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অর্থহীন ও প্রহসনের মনে হয়েছে। নির্বাচনে অনিশ্চয়তা না থাকলে সেটিকে প্রকৃত নির্বাচন বলা যায় না। কারণ ফলাফল আগে থেকেই জানা ছিল।

রুমিন ফারহানা আরও বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর দেশের মানুষের আত্মত্যাগ ও প্রত্যাশার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে একজন অরাজনৈতিক ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে মনোনীত করা যেত। কিন্তু তা করা হয়নি।

তার মতে, ভোট না দেয়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের প্রসঙ্গ। রুমিন ফারহানার অভিযোগ, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগে বিএনপি দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে ভোট দিলে সংসদ সদস্য পদ হারানোর বিষয়টি সামনে এনেছে। এমন পরিস্থিতিতে তিনি ভোট দেয়াকে প্রহসন হিসেবে দেখেছেন।

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো রাজনৈতিক দলের মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর ওই দল থেকে পদত্যাগ করলে তার সংসদ সদস্য পদ শূন্য হবে। একইভাবে সংসদে নিজ দলের বিপক্ষে ভোট দিলেও সংসদ সদস্য পদ থাকবে না।

এদিকে ভোট চলাকালে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব গাজী আতাউর রহমানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, দলটির একমাত্র সংসদ সদস্য মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন অলিউল্লাহ ভোটদানে বিরত থাকবেন। জুলাই সনদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে হওয়া ঐকমত্যের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার অভিযোগে দলটি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। তবে পরে জানা যায়, ইসলামী আন্দোলনের ওই সংসদ সদস্য ভোট দিয়েছেন।