Dhaka ০২:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
English
সংবাদ শিরোনাম :
Logo দক্ষ শ্রম বাজার তৈরিতে বাংলাদেশের পাশে থাকবে লাওস, প্রথম কূটনৈতিক সংলাপ Logo ১২ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে প্রায় ১৫০ কোটি ডলার Logo দ্বিপক্ষীয় সফরে শিগগির ভারত যাচ্ছেন তারেক রহমান Logo মন্ত্রিসভায় রদবদল: এলজিআরডিতে সালাহউদ্দিন, স্বরাষ্ট্রে এ্যানি Logo ঢাকার সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নের সুযোগ দিল্লির কাজে লাগানো উচিত: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী Logo বিএনপির মহাসচিব পদে কে? রিজভী-সালাহউদ্দিনে নতুন সমীকরণ Logo রাজনীতিতে দীর্ঘ পথ পেরিয়ে রাষ্ট্রপতি ভবনের পথে ফখরুল Logo তারেক রহমানের ‘ট্রিলিয়ন ডলার’ ভিশনে বিশ্বাসী মার্কিন ব্যবসায়ীরা: অতুল কেশপ Logo ব্যাটারি রিকশা-ইবাইক বিদ্যুতের বড় অংশ টেনে নিচ্ছে : জ্বালানিমন্ত্রী Logo রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন মির্জা ফখরুল

আকামা নবায়ন নিয়ে সৌ‌দি প্রবাসীদের জন্য সুখবর

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ১১:২১:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬
  • ৩৬ জন দেখেছেন

এখন থেকে সৌদি আরবে কর্মস্থলে বাংলাদেশি কর্মীদের কোনো কারণে মূল নিয়োগকর্তা বা কফিল আকামা নবায়ন না করলে, দ্রুততম সময়ে অন্য কোনো নিয়োগকর্তা বা কফিলের অধীনে আকামা নবায়ন করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন দেশটির ডেপুটি মিনিস্টার অব হিউম্যান রিসোর্সেস মুহান্নাদ বিন আহমেদ আল-ঈসা।

আজ মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর অফিস কক্ষে সৌদি আরবের ডেপুটি মিনিস্টার অব ফরেন কনস্যুলার ড. মোহাম্মদ এ এম আলশামেরি এবং ডেপুটি মিনিস্টার অব হিউম্যান রিসোর্সেস মুহান্নাদ বিন আহমেদ আল-ঈসা এক সৌজন্য সাক্ষাতে এ বার্তা দেওয়া হয়।

সাক্ষাতের শুরুতেই সৌদির ডেপুটি মিনিস্টার অব হিউম্যান রিসোর্সেস মুহান্নাদ বিন আহমেদ আল-ঈসা বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য বিশেষ সুখবর জানিয়ে বলেন, ‘এখন থেকে সৌদি আরবে কর্মস্থলে বাংলাদেশি কর্মীদের কোনো কারণে মূল নিয়োগকর্তা বা কফিল আকামা নবায়ন না করলে, দ্রুততম সময়ে অন্য কোনো নিয়োগকর্তা বা কফিলের অধীনে আকামা নবায়ন করতে পারবেন এবং এতে আইনগত কোনো বাধা থাকবে না।’

বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে উভয় দেশের শ্রম সহযোগিতা জোরদারকরণে বিভিন্ন প্রস্তাব পেশ করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে গৃহকর্মী নিয়োগ চুক্তি, শ্রম দক্ষতা যাচাইকরণ প্রোগ্রাম (এসভিপি) চুক্তি এবং সাধারণ কর্মী নিয়োগ চুক্তির আনুষ্ঠানিক পর্যালোচনা ও নবায়নের প্রস্তাব। একই সঙ্গে সুবিধাজনক সময়ে যৌথ কমিশন এবং যৌথ প্রযুক্তিগত কমিটির বৈঠক আয়োজনের আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়ন, আরবি ভাষা প্রশিক্ষণ, সৌদি আইন, সংস্কৃতি ও রীতিনীতি সংক্রান্ত জ্ঞান এবং গমনপূর্ব ওরিয়েন্টেশন প্রদানের লক্ষ্যে যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশে একটি ‘সৌদি-বাংলাদেশ যৌথ কারিগরি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট’ প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করা হয়।

তাছাড়া স্বাস্থ্যসেবা, নির্মাণ, আইটি এবং হসপিটালিটির মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোতে দক্ষ, উচ্চ-দক্ষ ও পেশাদার কর্মীদের নিয়োগ সহজতর করার লক্ষ্যে কারিগরি, ভোকেশনাল ও পেশাগত যোগ্যতার পারস্পরিক স্বীকৃতির ফ্রেমওয়ার্ক তৈরির প্রস্তাব করা হয়।

একই সঙ্গে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য সময়মতো ওয়ার্ক পারমিট (ওয়ার্ক ভিসা) ও আকামা ইস্যু ও নবায়ন নিশ্চিত করার অনুরোধ জানানো হয় এবং ওয়ার্ক পারমিটের বর্ধিত ফি-র দোহাই দিয়ে কিছু নিয়োগকর্তা যে বিলম্ব ঘটাচ্ছে, তা সমাধানে সৌদি সরকারের সহযোগিতার আবেদন করা হয়।

সৌদি প্রতিনিধিদলকে ধন্যবাদ জানিয়ে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশ এবং সৌদি আরবের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান। বাংলাদেশি কর্মীরা সৌদি আরবের সার্বিক উন্নয়নে যেমন অবদান রাখছে, তেমনি রেমিট্যান্স প্রেরণের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।’

এ সময় মন্ত্রী উল্লেখ করেন, কওমি মাদরাসার শিক্ষার্থীরা আরবি ভাষায় বেশ পারদর্শী; তাই তাদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ প্রদান করে সৌদি আরবে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির জন্য তিনি বিশেষভাবে আহ্বান জানান।

বৈঠকে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক ২০৩৪ সালে সৌদি আরবে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপকে সামনে রেখে বর্ধিত কর্মী চাহিদায় বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি দক্ষ শ্রমিক গ্রহণের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে বাংলাদেশ থেকে গমনকারী নারী গৃহকর্মীদের অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার তাগিদ দেন।

এ সময় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব আসন্ন পবিত্র রমজান ও ঈদ উপলক্ষে সৌদি আরবের সফর জেলে আটক থাকা বাংলাদেশি কর্মীদের সাধারণ ক্ষমার আওতায় আনার আহ্বান জানান।

বাংলাদেশের প্রস্তাবনার জবাবে সৌদির ডেপুটি মিনিস্টার অব হিউম্যান রিসোর্সেস মুহান্নাদ বিন আহমেদ আল-ঈসা স্বাস্থ্যসেবা, নির্মাণ, আইটি ও হসপিটালিটিসহ গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোতে বাংলাদেশ থেকে দক্ষ ও পেশাদার কর্মী নিয়োগে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেন।

তিনি জানান, কর্মীদের অধিকার সুরক্ষায় ইতোমধ্যে ওয়েজ প্রটেকশন সিস্টেম এবং ইন্স্যুরেন্স নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়া সফর জেলে আটক বাংলাদেশি কর্মীদের বিস্তারিত তথ্য কূটনৈতিক চ্যানেলে পাঠানো হলে তাদের ক্ষমার বিষয়টি নিয়ে সৌদি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

এ গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ জাফর এইচ বিন আবিয়া, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. শাকিরুল ইসলাম খানসহ পররাষ্ট্র এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

দক্ষ শ্রম বাজার তৈরিতে বাংলাদেশের পাশে থাকবে লাওস, প্রথম কূটনৈতিক সংলাপ

আকামা নবায়ন নিয়ে সৌ‌দি প্রবাসীদের জন্য সুখবর

প্রকাশের সময় : ১১:২১:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

এখন থেকে সৌদি আরবে কর্মস্থলে বাংলাদেশি কর্মীদের কোনো কারণে মূল নিয়োগকর্তা বা কফিল আকামা নবায়ন না করলে, দ্রুততম সময়ে অন্য কোনো নিয়োগকর্তা বা কফিলের অধীনে আকামা নবায়ন করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন দেশটির ডেপুটি মিনিস্টার অব হিউম্যান রিসোর্সেস মুহান্নাদ বিন আহমেদ আল-ঈসা।

আজ মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর অফিস কক্ষে সৌদি আরবের ডেপুটি মিনিস্টার অব ফরেন কনস্যুলার ড. মোহাম্মদ এ এম আলশামেরি এবং ডেপুটি মিনিস্টার অব হিউম্যান রিসোর্সেস মুহান্নাদ বিন আহমেদ আল-ঈসা এক সৌজন্য সাক্ষাতে এ বার্তা দেওয়া হয়।

সাক্ষাতের শুরুতেই সৌদির ডেপুটি মিনিস্টার অব হিউম্যান রিসোর্সেস মুহান্নাদ বিন আহমেদ আল-ঈসা বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য বিশেষ সুখবর জানিয়ে বলেন, ‘এখন থেকে সৌদি আরবে কর্মস্থলে বাংলাদেশি কর্মীদের কোনো কারণে মূল নিয়োগকর্তা বা কফিল আকামা নবায়ন না করলে, দ্রুততম সময়ে অন্য কোনো নিয়োগকর্তা বা কফিলের অধীনে আকামা নবায়ন করতে পারবেন এবং এতে আইনগত কোনো বাধা থাকবে না।’

বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে উভয় দেশের শ্রম সহযোগিতা জোরদারকরণে বিভিন্ন প্রস্তাব পেশ করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে গৃহকর্মী নিয়োগ চুক্তি, শ্রম দক্ষতা যাচাইকরণ প্রোগ্রাম (এসভিপি) চুক্তি এবং সাধারণ কর্মী নিয়োগ চুক্তির আনুষ্ঠানিক পর্যালোচনা ও নবায়নের প্রস্তাব। একই সঙ্গে সুবিধাজনক সময়ে যৌথ কমিশন এবং যৌথ প্রযুক্তিগত কমিটির বৈঠক আয়োজনের আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়ন, আরবি ভাষা প্রশিক্ষণ, সৌদি আইন, সংস্কৃতি ও রীতিনীতি সংক্রান্ত জ্ঞান এবং গমনপূর্ব ওরিয়েন্টেশন প্রদানের লক্ষ্যে যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশে একটি ‘সৌদি-বাংলাদেশ যৌথ কারিগরি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট’ প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করা হয়।

তাছাড়া স্বাস্থ্যসেবা, নির্মাণ, আইটি এবং হসপিটালিটির মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোতে দক্ষ, উচ্চ-দক্ষ ও পেশাদার কর্মীদের নিয়োগ সহজতর করার লক্ষ্যে কারিগরি, ভোকেশনাল ও পেশাগত যোগ্যতার পারস্পরিক স্বীকৃতির ফ্রেমওয়ার্ক তৈরির প্রস্তাব করা হয়।

একই সঙ্গে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য সময়মতো ওয়ার্ক পারমিট (ওয়ার্ক ভিসা) ও আকামা ইস্যু ও নবায়ন নিশ্চিত করার অনুরোধ জানানো হয় এবং ওয়ার্ক পারমিটের বর্ধিত ফি-র দোহাই দিয়ে কিছু নিয়োগকর্তা যে বিলম্ব ঘটাচ্ছে, তা সমাধানে সৌদি সরকারের সহযোগিতার আবেদন করা হয়।

সৌদি প্রতিনিধিদলকে ধন্যবাদ জানিয়ে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশ এবং সৌদি আরবের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান। বাংলাদেশি কর্মীরা সৌদি আরবের সার্বিক উন্নয়নে যেমন অবদান রাখছে, তেমনি রেমিট্যান্স প্রেরণের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।’

এ সময় মন্ত্রী উল্লেখ করেন, কওমি মাদরাসার শিক্ষার্থীরা আরবি ভাষায় বেশ পারদর্শী; তাই তাদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ প্রদান করে সৌদি আরবে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির জন্য তিনি বিশেষভাবে আহ্বান জানান।

বৈঠকে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক ২০৩৪ সালে সৌদি আরবে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপকে সামনে রেখে বর্ধিত কর্মী চাহিদায় বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি দক্ষ শ্রমিক গ্রহণের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে বাংলাদেশ থেকে গমনকারী নারী গৃহকর্মীদের অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার তাগিদ দেন।

এ সময় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব আসন্ন পবিত্র রমজান ও ঈদ উপলক্ষে সৌদি আরবের সফর জেলে আটক থাকা বাংলাদেশি কর্মীদের সাধারণ ক্ষমার আওতায় আনার আহ্বান জানান।

বাংলাদেশের প্রস্তাবনার জবাবে সৌদির ডেপুটি মিনিস্টার অব হিউম্যান রিসোর্সেস মুহান্নাদ বিন আহমেদ আল-ঈসা স্বাস্থ্যসেবা, নির্মাণ, আইটি ও হসপিটালিটিসহ গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোতে বাংলাদেশ থেকে দক্ষ ও পেশাদার কর্মী নিয়োগে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেন।

তিনি জানান, কর্মীদের অধিকার সুরক্ষায় ইতোমধ্যে ওয়েজ প্রটেকশন সিস্টেম এবং ইন্স্যুরেন্স নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়া সফর জেলে আটক বাংলাদেশি কর্মীদের বিস্তারিত তথ্য কূটনৈতিক চ্যানেলে পাঠানো হলে তাদের ক্ষমার বিষয়টি নিয়ে সৌদি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

এ গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ জাফর এইচ বিন আবিয়া, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. শাকিরুল ইসলাম খানসহ পররাষ্ট্র এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।