Dhaka ১০:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
English
সংবাদ শিরোনাম :
Logo প্রধানমন্ত্রীর কাজে সন্তুষ্ট ৬৬ দশমিক ৩ শতাংশ মানুষ Logo বাংলাদেশকে জ্বালানি নিরাপত্তা দেয়ার আশ্বাস কাতারের: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় Logo চলতি মাসের শেষ দিকে চালু হচ্ছে ‘প্রবাসী কার্ড’: প্রতিমন্ত্রী নুর Logo একনেকে ৯ হাজার ৩৩৩ কোটি টাকার ১০ প্রকল্প অনুমোদন Logo শ্রম সহযোগিতা নি‌য়ে কাতারের মন্ত্রীর সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক Logo কলকাতায় গভীর রাতে হোটেলে আগুন, নিহতদের সবাই বাংলাদেশি Logo সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির স্বামী মারা গেছেন Logo ১৭ দিনে রেমিট্যান্স এল ২৩ হাজার কোটি টাকা Logo বাংলাদেশের সঙ্গে গঠনমূলক ও ইতিবাচক সম্পর্ক চায় ভারত: জয়সওয়াল Logo বাংলাদেশি রোগীদের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার উদ্যোগ

লিবিয়া থেকে ফিরলেন আরও ১৭৪ বাংলাদেশি

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ১২:২৩:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬
  • ৪ জন দেখেছেন

লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে দীর্ঘদিন আটক থাকার পর আরও ১৭৪ বাংলাদেশি নাগরিক দেশে ফিরেছেন। বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগ ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায় বেনগাজীর গ্যানফুদা ডিটেনশন সেন্টার থেকে তাঁদের নিরাপদে দেশে ফেরানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ভোর ৬টায় লিবিয়ার বুরাক এয়ারের ইউজেড-২২২ ফ্লাইটে তাঁরা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। দেশে ফেরা ব্যক্তিদের মধ্যে তিন নারী, এক শিশু এবং ১৫ জন অসুস্থ ব্যক্তি রয়েছেন।

জানা গেছে, উন্নত জীবনের আশায় এসব বাংলাদেশি অনিয়মিত পথে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। সমুদ্রপথে অভিযানের সময় তাঁদের উদ্ধার বা আটক করা হয়। পরে দীর্ঘ সময় লিবিয়ার গ্যানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে বন্দিজীবন কাটাতে হয় তাঁদের।

বাংলাদেশ দূতাবাস সূত্র জানায়, লিবিয়ায় আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদে দেশে ফেরাতে দূতাবাস স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও আইওএমের সঙ্গে নিয়মিত সমন্বয় করছে। এরই ধারাবাহিকতায় স্থানীয় প্রশাসনের অনুমোদন ও আইওএমের সার্বিক সহযোগিতায় সর্বশেষ ১৭৪ জনকে দেশে ফেরানো সম্ভব হয়েছে।

দূতাবাস আরও জানায়, বেনগাজীর গ্যানফুদা ও ত্রিপলীর তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশিদের নিয়মিত সাক্ষাৎকার নেওয়া, পরিচয় যাচাই এবং প্রত্যাবাসন কার্যক্রম চলছে।

এসব কেন্দ্রে বর্তমানে অবস্থানরত অন্য বাংলাদেশিদেরও পর্যায়ক্রমে দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

এর আগে একই ধরনের পরিস্থিতিতে গত ৭ আগস্ট লিবিয়া থেকে দেশে ফিরেছিলেন ৩৪০ বাংলাদেশি। সর্বশেষ ১৭৪ জনসহ চলতি আগস্টে লিবিয়া থেকে মোট ৫১৪ বাংলাদেশিকে দেশে ফিরিয়ে আনা হলো।

বাংলাদেশ দূতাবাস সবাইকে দালাল ও মানব পাচারকারীদের প্রলোভনে না পড়ার আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে বিদেশে কর্মসংস্থান বা অভিবাসনের ক্ষেত্রে সরকারি অনুমোদিত ও আইনসম্মত নিরাপদ পথ অনুসরণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর কাজে সন্তুষ্ট ৬৬ দশমিক ৩ শতাংশ মানুষ

লিবিয়া থেকে ফিরলেন আরও ১৭৪ বাংলাদেশি

প্রকাশের সময় : ১২:২৩:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে দীর্ঘদিন আটক থাকার পর আরও ১৭৪ বাংলাদেশি নাগরিক দেশে ফিরেছেন। বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগ ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায় বেনগাজীর গ্যানফুদা ডিটেনশন সেন্টার থেকে তাঁদের নিরাপদে দেশে ফেরানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ভোর ৬টায় লিবিয়ার বুরাক এয়ারের ইউজেড-২২২ ফ্লাইটে তাঁরা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। দেশে ফেরা ব্যক্তিদের মধ্যে তিন নারী, এক শিশু এবং ১৫ জন অসুস্থ ব্যক্তি রয়েছেন।

জানা গেছে, উন্নত জীবনের আশায় এসব বাংলাদেশি অনিয়মিত পথে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। সমুদ্রপথে অভিযানের সময় তাঁদের উদ্ধার বা আটক করা হয়। পরে দীর্ঘ সময় লিবিয়ার গ্যানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে বন্দিজীবন কাটাতে হয় তাঁদের।

বাংলাদেশ দূতাবাস সূত্র জানায়, লিবিয়ায় আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদে দেশে ফেরাতে দূতাবাস স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও আইওএমের সঙ্গে নিয়মিত সমন্বয় করছে। এরই ধারাবাহিকতায় স্থানীয় প্রশাসনের অনুমোদন ও আইওএমের সার্বিক সহযোগিতায় সর্বশেষ ১৭৪ জনকে দেশে ফেরানো সম্ভব হয়েছে।

দূতাবাস আরও জানায়, বেনগাজীর গ্যানফুদা ও ত্রিপলীর তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশিদের নিয়মিত সাক্ষাৎকার নেওয়া, পরিচয় যাচাই এবং প্রত্যাবাসন কার্যক্রম চলছে।

এসব কেন্দ্রে বর্তমানে অবস্থানরত অন্য বাংলাদেশিদেরও পর্যায়ক্রমে দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

এর আগে একই ধরনের পরিস্থিতিতে গত ৭ আগস্ট লিবিয়া থেকে দেশে ফিরেছিলেন ৩৪০ বাংলাদেশি। সর্বশেষ ১৭৪ জনসহ চলতি আগস্টে লিবিয়া থেকে মোট ৫১৪ বাংলাদেশিকে দেশে ফিরিয়ে আনা হলো।

বাংলাদেশ দূতাবাস সবাইকে দালাল ও মানব পাচারকারীদের প্রলোভনে না পড়ার আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে বিদেশে কর্মসংস্থান বা অভিবাসনের ক্ষেত্রে সরকারি অনুমোদিত ও আইনসম্মত নিরাপদ পথ অনুসরণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।