Dhaka ০৬:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
English
সংবাদ শিরোনাম :
Logo অভিবাসী-শরণার্থীদের সহায়তায় বরাদ্দ ৮১০ মিলিয়ন ডলার বাতিলের পথে যুক্তরাষ্ট্র Logo এক চুক্তিতে হজের সব সেবা দেবে সৌদি Logo অনিয়মের জন্য ৪৯টি রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল Logo বাংলাদেশসহ ১৯ দেশের ওষুধে ১০০% শুল্ক ছাড়ের ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের Logo ৪ বছর বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশিদের জন্য খুললো মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার Logo বৈধ পথে শরণার্থী নেওয়ার কর্মসূচি ফের চালু করছে যুক্তরাজ্য Logo হিজাব ছাড়া গান গাওয়ায় ইরানি গায়িকার ৭৪ বেত্রাঘাতের সাজা বহাল Logo যুক্তরাষ্ট্রে স্টুডেন্ট ভিসা: বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা কীভাবে প্রস্তুতি নেবেন Logo ৬ দিন ধরে বাংলাদেশের ভিসা আবেদনের পোর্টাল ডাউন Logo অনুমোদন ছাড়াই পেমেন্ট সেবা, বাংলাদেশে ২২ প্ল্যাটফর্মকে অবৈধ ঘোষণা

টেকনাফে সমুদ্রপথে মালয়েশিয়া পাচারকালে উদ্ধার ১৭

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ০৯:০৮:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৮ জন দেখেছেন

কক্সবাজারের টেকনাফে সমুদ্রপথে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশে একটি বাড়িতে আটকে রাখা ১৭ জনকে উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-১৫ (এসআরবি-১৫)।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এসআরবি-১৫-এর সহকারী পুলিশ সুপার আ. ম. ফারুক। এর আগে শুক্রবার রাতে উপজেলার দক্ষিণ লম্বরী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের উদ্ধার করা হয়।

এসআরবি-১৫-এর সিপিসি-১ (টেকনাফ ক্যাম্প) জানায়, তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় মানবপাচারকারী একটি চক্র বিদেশে পাচারের উদ্দেশে কয়েকজনকে দক্ষিণ লম্বরী এলাকার মো. ইব্রাহীমের বাড়িতে জড়ো করেছে এমন তথ্য পেলে সন্ধ্যায় সেখানে অভিযান চালানো হয়। অভিযানকারী দলের উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারী চক্রের সদস্যরা পালিয়ে গেলে পরে স্থানীয় সাক্ষীদের উপস্থিতিতে ওই বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ১৭ জন পুরুষকে উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের একজন মোহাম্মদ করিম বলেন, পাঁচ দিন আগে তিনি মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য সাইফুল নামে এক ব্যক্তির কাছে যান। সেদিনই নৌপথে মালয়েশিয়া পাঠানোর কথা ছিল। তবে তাকে ও অন্যদের কয়েক দফা হাতবদল করা হয়। পরে তাদের একটি বাড়িতে আটকে রাখেন।

করিম বলেন, আমরা নিজের ইচ্ছায় মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য টেকনাফে সাইফুলের কাছে এসেছিলাম। কিন্তু পরে আমাদের আটকে রাখা হয়। কোনো উপায় না পেয়ে আমি সেখান থেকে পালিয়ে আসি।

এসআরবি-১৫ জানায়, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের বাড়ি কক্সবাজার ও বান্দরবান জেলার বিভিন্ন উপজেলায়। তাদের মধ্যে বান্দরবানের লামা এলাকার মো. জাফর আলম, মো. নুরুল হুদা, মো. শাহিন শাহরিয়ার হৃদয়, মো. বেলাল, মো. রফিকুল ইসলাম ও মো. সাফায়েত হোসেন রয়েছেন। এ ছাড়া কক্সবাজারের চকরিয়া, পেকুয়া, রামু, কক্সবাজার সদর ও টেকনাফ এলাকার মো. মামুনুর রশিদ, মো. তাফসির, মো. আশরাফ হোসেন, মো. বাবুল, মো. আনসার উদ্দিন, মো. নুরুল আফসার, মো. সাইফুল ইসলাম, মো. জোবায়ের ও মো. নুর মোস্তফাকে উদ্ধার করা হয়েছে।

এসআরবি-১৫-এর সহকারী পুলিশ সুপার আ. ম. ফারুক বলেন, লাভের আশায় সংঘবদ্ধ একটি চক্র এসব ব্যক্তিকে বিদেশে পাঠানোর কথা বলে ওই বাড়িতে জড়ো করেছিলেন। তাদের নৌপথে মালয়েশিয়ায় পাচারের পরিকল্পনা ছিল। এ ঘটনায় জড়িত পলাতক ও অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

এ বিষয়ে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, উদ্ধার হওয়া ১৭ জনকে থানায় হস্তান্তর করেছে এসআরবি। পরবর্তী আইনি প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি চলছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

অভিবাসী-শরণার্থীদের সহায়তায় বরাদ্দ ৮১০ মিলিয়ন ডলার বাতিলের পথে যুক্তরাষ্ট্র

টেকনাফে সমুদ্রপথে মালয়েশিয়া পাচারকালে উদ্ধার ১৭

প্রকাশের সময় : ০৯:০৮:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কক্সবাজারের টেকনাফে সমুদ্রপথে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশে একটি বাড়িতে আটকে রাখা ১৭ জনকে উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-১৫ (এসআরবি-১৫)।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এসআরবি-১৫-এর সহকারী পুলিশ সুপার আ. ম. ফারুক। এর আগে শুক্রবার রাতে উপজেলার দক্ষিণ লম্বরী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের উদ্ধার করা হয়।

এসআরবি-১৫-এর সিপিসি-১ (টেকনাফ ক্যাম্প) জানায়, তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় মানবপাচারকারী একটি চক্র বিদেশে পাচারের উদ্দেশে কয়েকজনকে দক্ষিণ লম্বরী এলাকার মো. ইব্রাহীমের বাড়িতে জড়ো করেছে এমন তথ্য পেলে সন্ধ্যায় সেখানে অভিযান চালানো হয়। অভিযানকারী দলের উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারী চক্রের সদস্যরা পালিয়ে গেলে পরে স্থানীয় সাক্ষীদের উপস্থিতিতে ওই বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ১৭ জন পুরুষকে উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের একজন মোহাম্মদ করিম বলেন, পাঁচ দিন আগে তিনি মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য সাইফুল নামে এক ব্যক্তির কাছে যান। সেদিনই নৌপথে মালয়েশিয়া পাঠানোর কথা ছিল। তবে তাকে ও অন্যদের কয়েক দফা হাতবদল করা হয়। পরে তাদের একটি বাড়িতে আটকে রাখেন।

করিম বলেন, আমরা নিজের ইচ্ছায় মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য টেকনাফে সাইফুলের কাছে এসেছিলাম। কিন্তু পরে আমাদের আটকে রাখা হয়। কোনো উপায় না পেয়ে আমি সেখান থেকে পালিয়ে আসি।

এসআরবি-১৫ জানায়, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের বাড়ি কক্সবাজার ও বান্দরবান জেলার বিভিন্ন উপজেলায়। তাদের মধ্যে বান্দরবানের লামা এলাকার মো. জাফর আলম, মো. নুরুল হুদা, মো. শাহিন শাহরিয়ার হৃদয়, মো. বেলাল, মো. রফিকুল ইসলাম ও মো. সাফায়েত হোসেন রয়েছেন। এ ছাড়া কক্সবাজারের চকরিয়া, পেকুয়া, রামু, কক্সবাজার সদর ও টেকনাফ এলাকার মো. মামুনুর রশিদ, মো. তাফসির, মো. আশরাফ হোসেন, মো. বাবুল, মো. আনসার উদ্দিন, মো. নুরুল আফসার, মো. সাইফুল ইসলাম, মো. জোবায়ের ও মো. নুর মোস্তফাকে উদ্ধার করা হয়েছে।

এসআরবি-১৫-এর সহকারী পুলিশ সুপার আ. ম. ফারুক বলেন, লাভের আশায় সংঘবদ্ধ একটি চক্র এসব ব্যক্তিকে বিদেশে পাঠানোর কথা বলে ওই বাড়িতে জড়ো করেছিলেন। তাদের নৌপথে মালয়েশিয়ায় পাচারের পরিকল্পনা ছিল। এ ঘটনায় জড়িত পলাতক ও অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

এ বিষয়ে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, উদ্ধার হওয়া ১৭ জনকে থানায় হস্তান্তর করেছে এসআরবি। পরবর্তী আইনি প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি চলছে।