Dhaka ১২:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
English
সংবাদ শিরোনাম :
Logo অনুমোদন ছাড়াই পেমেন্ট সেবা, বাংলাদেশে ২২ প্ল্যাটফর্মকে অবৈধ ঘোষণা Logo হজ কোটা আরও ২০ হাজার বাড়ানোর দাবি হাবের Logo আন্তর্জাতিক কার্ডে বিদেশি ১৭ এয়ারলাইন্সের টিকিট কেনার সুযোগ Logo বাংলাদেশে জ্বালানি নিয়ে আসা বিমানকে আকাশসীমায় ঢুকতে দেয়নি পাকিস্তান Logo কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনাল থেকে পরীক্ষামূলক ফ্লাইট পরিচালনা শুরু Logo অস্ট্রেলিয়ায় ৩০ হাজারের বেশি আশ্রয়প্রার্থী পেলেন স্থায়ী ভিসা Logo যুক্তরাষ্ট্রে সন্তান জন্ম দিতে ভিজিটর ভিসা নয়, ‘বার্থ ট্যুরিজম’ নিয়ে সতর্কতা Logo কানাডা থেকে ৩৪০ বাংলাদেশি অপসারণ, প্রক্রিয়ায় আরও ১,৩৬৮ জন Logo নেপাল ভ্রমণে বাংলাদেশি পর্যটকদের সতর্ক করল দূতাবাস Logo জার্মানিতে দক্ষ কর্মীদের জন্য সাড়ে ৬ লাখ শূন্য পদ, আবেদন করতে পারবেন যারা

টেকনাফে সমুদ্রপথে মালয়েশিয়া পাচারকালে উদ্ধার ১৭

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ০৯:০৮:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৪ জন দেখেছেন

কক্সবাজারের টেকনাফে সমুদ্রপথে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশে একটি বাড়িতে আটকে রাখা ১৭ জনকে উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-১৫ (এসআরবি-১৫)।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এসআরবি-১৫-এর সহকারী পুলিশ সুপার আ. ম. ফারুক। এর আগে শুক্রবার রাতে উপজেলার দক্ষিণ লম্বরী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের উদ্ধার করা হয়।

এসআরবি-১৫-এর সিপিসি-১ (টেকনাফ ক্যাম্প) জানায়, তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় মানবপাচারকারী একটি চক্র বিদেশে পাচারের উদ্দেশে কয়েকজনকে দক্ষিণ লম্বরী এলাকার মো. ইব্রাহীমের বাড়িতে জড়ো করেছে এমন তথ্য পেলে সন্ধ্যায় সেখানে অভিযান চালানো হয়। অভিযানকারী দলের উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারী চক্রের সদস্যরা পালিয়ে গেলে পরে স্থানীয় সাক্ষীদের উপস্থিতিতে ওই বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ১৭ জন পুরুষকে উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের একজন মোহাম্মদ করিম বলেন, পাঁচ দিন আগে তিনি মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য সাইফুল নামে এক ব্যক্তির কাছে যান। সেদিনই নৌপথে মালয়েশিয়া পাঠানোর কথা ছিল। তবে তাকে ও অন্যদের কয়েক দফা হাতবদল করা হয়। পরে তাদের একটি বাড়িতে আটকে রাখেন।

করিম বলেন, আমরা নিজের ইচ্ছায় মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য টেকনাফে সাইফুলের কাছে এসেছিলাম। কিন্তু পরে আমাদের আটকে রাখা হয়। কোনো উপায় না পেয়ে আমি সেখান থেকে পালিয়ে আসি।

এসআরবি-১৫ জানায়, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের বাড়ি কক্সবাজার ও বান্দরবান জেলার বিভিন্ন উপজেলায়। তাদের মধ্যে বান্দরবানের লামা এলাকার মো. জাফর আলম, মো. নুরুল হুদা, মো. শাহিন শাহরিয়ার হৃদয়, মো. বেলাল, মো. রফিকুল ইসলাম ও মো. সাফায়েত হোসেন রয়েছেন। এ ছাড়া কক্সবাজারের চকরিয়া, পেকুয়া, রামু, কক্সবাজার সদর ও টেকনাফ এলাকার মো. মামুনুর রশিদ, মো. তাফসির, মো. আশরাফ হোসেন, মো. বাবুল, মো. আনসার উদ্দিন, মো. নুরুল আফসার, মো. সাইফুল ইসলাম, মো. জোবায়ের ও মো. নুর মোস্তফাকে উদ্ধার করা হয়েছে।

এসআরবি-১৫-এর সহকারী পুলিশ সুপার আ. ম. ফারুক বলেন, লাভের আশায় সংঘবদ্ধ একটি চক্র এসব ব্যক্তিকে বিদেশে পাঠানোর কথা বলে ওই বাড়িতে জড়ো করেছিলেন। তাদের নৌপথে মালয়েশিয়ায় পাচারের পরিকল্পনা ছিল। এ ঘটনায় জড়িত পলাতক ও অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

এ বিষয়ে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, উদ্ধার হওয়া ১৭ জনকে থানায় হস্তান্তর করেছে এসআরবি। পরবর্তী আইনি প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি চলছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

অনুমোদন ছাড়াই পেমেন্ট সেবা, বাংলাদেশে ২২ প্ল্যাটফর্মকে অবৈধ ঘোষণা

টেকনাফে সমুদ্রপথে মালয়েশিয়া পাচারকালে উদ্ধার ১৭

প্রকাশের সময় : ০৯:০৮:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কক্সবাজারের টেকনাফে সমুদ্রপথে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশে একটি বাড়িতে আটকে রাখা ১৭ জনকে উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-১৫ (এসআরবি-১৫)।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এসআরবি-১৫-এর সহকারী পুলিশ সুপার আ. ম. ফারুক। এর আগে শুক্রবার রাতে উপজেলার দক্ষিণ লম্বরী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের উদ্ধার করা হয়।

এসআরবি-১৫-এর সিপিসি-১ (টেকনাফ ক্যাম্প) জানায়, তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় মানবপাচারকারী একটি চক্র বিদেশে পাচারের উদ্দেশে কয়েকজনকে দক্ষিণ লম্বরী এলাকার মো. ইব্রাহীমের বাড়িতে জড়ো করেছে এমন তথ্য পেলে সন্ধ্যায় সেখানে অভিযান চালানো হয়। অভিযানকারী দলের উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারী চক্রের সদস্যরা পালিয়ে গেলে পরে স্থানীয় সাক্ষীদের উপস্থিতিতে ওই বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ১৭ জন পুরুষকে উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের একজন মোহাম্মদ করিম বলেন, পাঁচ দিন আগে তিনি মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য সাইফুল নামে এক ব্যক্তির কাছে যান। সেদিনই নৌপথে মালয়েশিয়া পাঠানোর কথা ছিল। তবে তাকে ও অন্যদের কয়েক দফা হাতবদল করা হয়। পরে তাদের একটি বাড়িতে আটকে রাখেন।

করিম বলেন, আমরা নিজের ইচ্ছায় মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য টেকনাফে সাইফুলের কাছে এসেছিলাম। কিন্তু পরে আমাদের আটকে রাখা হয়। কোনো উপায় না পেয়ে আমি সেখান থেকে পালিয়ে আসি।

এসআরবি-১৫ জানায়, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের বাড়ি কক্সবাজার ও বান্দরবান জেলার বিভিন্ন উপজেলায়। তাদের মধ্যে বান্দরবানের লামা এলাকার মো. জাফর আলম, মো. নুরুল হুদা, মো. শাহিন শাহরিয়ার হৃদয়, মো. বেলাল, মো. রফিকুল ইসলাম ও মো. সাফায়েত হোসেন রয়েছেন। এ ছাড়া কক্সবাজারের চকরিয়া, পেকুয়া, রামু, কক্সবাজার সদর ও টেকনাফ এলাকার মো. মামুনুর রশিদ, মো. তাফসির, মো. আশরাফ হোসেন, মো. বাবুল, মো. আনসার উদ্দিন, মো. নুরুল আফসার, মো. সাইফুল ইসলাম, মো. জোবায়ের ও মো. নুর মোস্তফাকে উদ্ধার করা হয়েছে।

এসআরবি-১৫-এর সহকারী পুলিশ সুপার আ. ম. ফারুক বলেন, লাভের আশায় সংঘবদ্ধ একটি চক্র এসব ব্যক্তিকে বিদেশে পাঠানোর কথা বলে ওই বাড়িতে জড়ো করেছিলেন। তাদের নৌপথে মালয়েশিয়ায় পাচারের পরিকল্পনা ছিল। এ ঘটনায় জড়িত পলাতক ও অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

এ বিষয়ে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, উদ্ধার হওয়া ১৭ জনকে থানায় হস্তান্তর করেছে এসআরবি। পরবর্তী আইনি প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি চলছে।