Dhaka ০৬:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
English
সংবাদ শিরোনাম :
Logo অভিবাসী-শরণার্থীদের সহায়তায় বরাদ্দ ৮১০ মিলিয়ন ডলার বাতিলের পথে যুক্তরাষ্ট্র Logo এক চুক্তিতে হজের সব সেবা দেবে সৌদি Logo অনিয়মের জন্য ৪৯টি রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল Logo বাংলাদেশসহ ১৯ দেশের ওষুধে ১০০% শুল্ক ছাড়ের ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের Logo ৪ বছর বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশিদের জন্য খুললো মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার Logo বৈধ পথে শরণার্থী নেওয়ার কর্মসূচি ফের চালু করছে যুক্তরাজ্য Logo হিজাব ছাড়া গান গাওয়ায় ইরানি গায়িকার ৭৪ বেত্রাঘাতের সাজা বহাল Logo যুক্তরাষ্ট্রে স্টুডেন্ট ভিসা: বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা কীভাবে প্রস্তুতি নেবেন Logo ৬ দিন ধরে বাংলাদেশের ভিসা আবেদনের পোর্টাল ডাউন Logo অনুমোদন ছাড়াই পেমেন্ট সেবা, বাংলাদেশে ২২ প্ল্যাটফর্মকে অবৈধ ঘোষণা

ঢাকা-নিউইয়র্ক সরাসরি ফ্লাইটসহ প্রধানমন্ত্রীর সফরে একাধিক দাবি

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ১১:৪২:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২২ জন দেখেছেন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যুক্তরাষ্ট্র সফরে ঢাকা-নিউইয়র্ক রুটে বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ফের চালুর দাবি জানিয়েছেন প্রবাসীরা। পাশাপাশি বিমানবন্দরের হয়রানি বন্ধ, দেশে প্রবাসীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সম্পত্তি দখলমুক্ত রাখা এবং প্রবাসীর মরদেহ বিনামূল্যে দেশে পাঠানোর মতো বেশকিছু দাবিও যুক্ত করা হয়েছে। প্রবাসীদের প্রত্যাশা, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরেই যেন ঢাকা-নিউইয়র্ক রুট চালুর একটি সুস্পষ্ট ও চূড়ান্ত রূপরেখা ঘোষণা করা হয়।

আমেরিকায় প্রবাসীদের দীর্ঘদিনের দাবি ঢাকা-নিউইয়র্ক সরাসরি ফ্লাইটের। প্রায় দুই দশকে ঢাকা-নিউইয়র্ক রুট পুনরায় চালুর আশ্বাস মিললেও এখনও অধরাই রয়েছে গেছে বিমানের সরাসরি ফ্লাইট।

২০০৬ সালের ২৯ জুলাই নিউইয়র্ক থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসে বিমানের সবশেষ ফ্লাইট। ১৯৯৩ সালে বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের সময়ে চালু হওয়া এই রুট প্রায় ১৩ বছর চলার পর বন্ধ হয়ে যায়। সময়ের সঙ্গে সরকার বদলেছে, এসেছে নানা উদ্যোগ ও আশ্বাস; কিন্তু বাস্তবায়ন হয়নি কাঙ্ক্ষিত রুটটি।

এবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যুক্তরাষ্ট্র সফর ঘিরে নতুন করে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে প্রবাসীদের মধ্যে। তাদের দাবি, শুধু আশ্বাস নয়, এ সফরেই ঢাকা-নিউইয়র্ক ফ্লাইট চালুর একটি সুস্পষ্ট সময়সূচী ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা জানানো হোক। একজন প্রবাসী বলেন, ‘লন্ডনের মতো নিউইয়র্ক থেকে সিলেটের বিমান চালু করার।’

প্রবাসীদের প্রত্যাশা, শুধু আকাশপথের যোগাযোগেই সীমাবদ্ধ নয়। দেশে ফেরার পর বিমানবন্দরে হয়রানি বন্ধ এবং সম্মানজনক আচরণ নিশ্চিত করার দাবিও রয়েছে তাদের।

দেশে থাকা বাড়িঘর, জমিজমা ও অন্যান্য সম্পত্তি নিয়ে নিরাপত্তাহীনতার কথাও বলছেন অনেকে। মৃত্যুর পর প্রবাসীদের মরদেহ বিনামূল্যে দেশে পাঠানোর ব্যবস্থার দাবিও জানান প্রবাসীরা। পরিবার নিয়ে দেশে বেড়াতে গিয়ে যেন নিরাপদে আবার যুক্তরাষ্ট্রে ফিরতে পারেন, প্রধানমন্ত্রীর কাছে এটিও এখন বড় প্রত্যাশা।

২১ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশ নিতে নিউইয়র্ক যাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

জনপ্রিয় সংবাদ

অভিবাসী-শরণার্থীদের সহায়তায় বরাদ্দ ৮১০ মিলিয়ন ডলার বাতিলের পথে যুক্তরাষ্ট্র

ঢাকা-নিউইয়র্ক সরাসরি ফ্লাইটসহ প্রধানমন্ত্রীর সফরে একাধিক দাবি

প্রকাশের সময় : ১১:৪২:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যুক্তরাষ্ট্র সফরে ঢাকা-নিউইয়র্ক রুটে বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ফের চালুর দাবি জানিয়েছেন প্রবাসীরা। পাশাপাশি বিমানবন্দরের হয়রানি বন্ধ, দেশে প্রবাসীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সম্পত্তি দখলমুক্ত রাখা এবং প্রবাসীর মরদেহ বিনামূল্যে দেশে পাঠানোর মতো বেশকিছু দাবিও যুক্ত করা হয়েছে। প্রবাসীদের প্রত্যাশা, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরেই যেন ঢাকা-নিউইয়র্ক রুট চালুর একটি সুস্পষ্ট ও চূড়ান্ত রূপরেখা ঘোষণা করা হয়।

আমেরিকায় প্রবাসীদের দীর্ঘদিনের দাবি ঢাকা-নিউইয়র্ক সরাসরি ফ্লাইটের। প্রায় দুই দশকে ঢাকা-নিউইয়র্ক রুট পুনরায় চালুর আশ্বাস মিললেও এখনও অধরাই রয়েছে গেছে বিমানের সরাসরি ফ্লাইট।

২০০৬ সালের ২৯ জুলাই নিউইয়র্ক থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসে বিমানের সবশেষ ফ্লাইট। ১৯৯৩ সালে বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের সময়ে চালু হওয়া এই রুট প্রায় ১৩ বছর চলার পর বন্ধ হয়ে যায়। সময়ের সঙ্গে সরকার বদলেছে, এসেছে নানা উদ্যোগ ও আশ্বাস; কিন্তু বাস্তবায়ন হয়নি কাঙ্ক্ষিত রুটটি।

এবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যুক্তরাষ্ট্র সফর ঘিরে নতুন করে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে প্রবাসীদের মধ্যে। তাদের দাবি, শুধু আশ্বাস নয়, এ সফরেই ঢাকা-নিউইয়র্ক ফ্লাইট চালুর একটি সুস্পষ্ট সময়সূচী ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা জানানো হোক। একজন প্রবাসী বলেন, ‘লন্ডনের মতো নিউইয়র্ক থেকে সিলেটের বিমান চালু করার।’

প্রবাসীদের প্রত্যাশা, শুধু আকাশপথের যোগাযোগেই সীমাবদ্ধ নয়। দেশে ফেরার পর বিমানবন্দরে হয়রানি বন্ধ এবং সম্মানজনক আচরণ নিশ্চিত করার দাবিও রয়েছে তাদের।

দেশে থাকা বাড়িঘর, জমিজমা ও অন্যান্য সম্পত্তি নিয়ে নিরাপত্তাহীনতার কথাও বলছেন অনেকে। মৃত্যুর পর প্রবাসীদের মরদেহ বিনামূল্যে দেশে পাঠানোর ব্যবস্থার দাবিও জানান প্রবাসীরা। পরিবার নিয়ে দেশে বেড়াতে গিয়ে যেন নিরাপদে আবার যুক্তরাষ্ট্রে ফিরতে পারেন, প্রধানমন্ত্রীর কাছে এটিও এখন বড় প্রত্যাশা।

২১ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশ নিতে নিউইয়র্ক যাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।