Dhaka ০৪:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
English
সংবাদ শিরোনাম :
Logo অভিবাসী-শরণার্থীদের সহায়তায় বরাদ্দ ৮১০ মিলিয়ন ডলার বাতিলের পথে যুক্তরাষ্ট্র Logo এক চুক্তিতে হজের সব সেবা দেবে সৌদি Logo অনিয়মের জন্য ৪৯টি রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল Logo বাংলাদেশসহ ১৯ দেশের ওষুধে ১০০% শুল্ক ছাড়ের ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের Logo ৪ বছর বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশিদের জন্য খুললো মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার Logo বৈধ পথে শরণার্থী নেওয়ার কর্মসূচি ফের চালু করছে যুক্তরাজ্য Logo হিজাব ছাড়া গান গাওয়ায় ইরানি গায়িকার ৭৪ বেত্রাঘাতের সাজা বহাল Logo যুক্তরাষ্ট্রে স্টুডেন্ট ভিসা: বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা কীভাবে প্রস্তুতি নেবেন Logo ৬ দিন ধরে বাংলাদেশের ভিসা আবেদনের পোর্টাল ডাউন Logo অনুমোদন ছাড়াই পেমেন্ট সেবা, বাংলাদেশে ২২ প্ল্যাটফর্মকে অবৈধ ঘোষণা

কানাডা সরকারের জনবল দুই বছরে কমেছে ২৩ হাজারের বেশি কর্মী

উত্তর আমেরিকার দেশ কানাডার ফেডারেল সরকারের কর্মী সংখ্যা গত দুই বছরে ২৩ হাজারেরও বেশি কমেছে। সংসদীয় বাজেট কর্মকর্তার (পিবিও) সাম্প্রতিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, সরকারি ব্যয় কমানো ও জনবল পুনর্গঠনের উদ্যোগের মধ্যেই এই হ্রাস ঘটেছে।

এতে করে চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে কানাডায় সরকারি কর্মীর সংখ্যা নেমে এসেছে প্রায় ৩ লাখ ৪৫ হাজারে, যা দুই বছর আগের তুলনায় ৬ দশমিক ৫ শতাংশ কম।

সবচেয়ে বেশি কর্মী কমেছে কানাডা রেভিনিউ এজেন্সি (সিআরএ), ইমিগ্রেশন, রিফিউজিস অ্যান্ড সিটিজেনশিপ কানাডা (আইআরসিসি), এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট কানাডা এবং হেলথ কানাডায়। তবে ন্যাশনাল ডিফেন্সসহ কয়েকটি বিভাগে কর্মীর সংখ্যা বেড়েছে।

জনবল কমানোর প্রক্রিয়ায় মেয়াদি, স্থায়ী, শিক্ষার্থী ও ক্যাজুয়াল—সব ধরনের কর্মীই রয়েছেন। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী কয়েক বছরেও ফেডারেল পাবলিক সার্ভিসের আকার আরও কমিয়ে প্রায় ৩ লাখ ৩০ হাজারে নামিয়ে আনার লক্ষ্য রয়েছে।

এদিকে জনবল কমানোর অংশ হিসেবে কানাডিয়ান সরকার আর্লি রিটায়ারমেন্ট ইনসেনটিভ (ইআরআই) কর্মসূচি চালু করেছে। চলতি বছরের ২৪ জুলাই পর্যন্ত এই কর্মসূচিতে ১০ হাজারের বেশি আবেদন জমা পড়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গত ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৯ হাজার ৪৩৮টি আবেদন অনুমোদনের জন্য যোগ্য হিসেবে নিশ্চিত হয়েছে। এর মধ্যে ৬৮টি আবেদন প্রত্যাখ্যাত এবং ১৯৬টি আবেদন বাতিল বা বন্ধ হয়েছে।

এই কর্মসূচির আওতায় যোগ্য কর্মীরা সাধারণত যে পেনশন-হ্রাসের মুখোমুখি হতেন, তা ছাড়াই আগাম অবসর নেয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। কর্মসূচির আওতায় সর্বশেষ অবসরের তারিখ ২০২৭ সালের ২০ জানুয়ারি।

সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, জনবল কমানোর ক্ষেত্রে স্বেচ্ছায় অবসর, স্বাভাবিক কর্মী-প্রবাহ ও অন্যান্য স্বেচ্ছামূলক ব্যবস্থাকে অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন বিভাগে কর্মী কাঠামো পুনর্গঠনও করা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

অভিবাসী-শরণার্থীদের সহায়তায় বরাদ্দ ৮১০ মিলিয়ন ডলার বাতিলের পথে যুক্তরাষ্ট্র

কানাডা সরকারের জনবল দুই বছরে কমেছে ২৩ হাজারের বেশি কর্মী

প্রকাশের সময় : ০১:২৯:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

উত্তর আমেরিকার দেশ কানাডার ফেডারেল সরকারের কর্মী সংখ্যা গত দুই বছরে ২৩ হাজারেরও বেশি কমেছে। সংসদীয় বাজেট কর্মকর্তার (পিবিও) সাম্প্রতিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, সরকারি ব্যয় কমানো ও জনবল পুনর্গঠনের উদ্যোগের মধ্যেই এই হ্রাস ঘটেছে।

এতে করে চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে কানাডায় সরকারি কর্মীর সংখ্যা নেমে এসেছে প্রায় ৩ লাখ ৪৫ হাজারে, যা দুই বছর আগের তুলনায় ৬ দশমিক ৫ শতাংশ কম।

সবচেয়ে বেশি কর্মী কমেছে কানাডা রেভিনিউ এজেন্সি (সিআরএ), ইমিগ্রেশন, রিফিউজিস অ্যান্ড সিটিজেনশিপ কানাডা (আইআরসিসি), এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট কানাডা এবং হেলথ কানাডায়। তবে ন্যাশনাল ডিফেন্সসহ কয়েকটি বিভাগে কর্মীর সংখ্যা বেড়েছে।

জনবল কমানোর প্রক্রিয়ায় মেয়াদি, স্থায়ী, শিক্ষার্থী ও ক্যাজুয়াল—সব ধরনের কর্মীই রয়েছেন। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী কয়েক বছরেও ফেডারেল পাবলিক সার্ভিসের আকার আরও কমিয়ে প্রায় ৩ লাখ ৩০ হাজারে নামিয়ে আনার লক্ষ্য রয়েছে।

এদিকে জনবল কমানোর অংশ হিসেবে কানাডিয়ান সরকার আর্লি রিটায়ারমেন্ট ইনসেনটিভ (ইআরআই) কর্মসূচি চালু করেছে। চলতি বছরের ২৪ জুলাই পর্যন্ত এই কর্মসূচিতে ১০ হাজারের বেশি আবেদন জমা পড়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গত ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৯ হাজার ৪৩৮টি আবেদন অনুমোদনের জন্য যোগ্য হিসেবে নিশ্চিত হয়েছে। এর মধ্যে ৬৮টি আবেদন প্রত্যাখ্যাত এবং ১৯৬টি আবেদন বাতিল বা বন্ধ হয়েছে।

এই কর্মসূচির আওতায় যোগ্য কর্মীরা সাধারণত যে পেনশন-হ্রাসের মুখোমুখি হতেন, তা ছাড়াই আগাম অবসর নেয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। কর্মসূচির আওতায় সর্বশেষ অবসরের তারিখ ২০২৭ সালের ২০ জানুয়ারি।

সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, জনবল কমানোর ক্ষেত্রে স্বেচ্ছায় অবসর, স্বাভাবিক কর্মী-প্রবাহ ও অন্যান্য স্বেচ্ছামূলক ব্যবস্থাকে অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন বিভাগে কর্মী কাঠামো পুনর্গঠনও করা হচ্ছে।