Dhaka ০৩:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
English
সংবাদ শিরোনাম :
Logo অভিবাসী-শরণার্থীদের সহায়তায় বরাদ্দ ৮১০ মিলিয়ন ডলার বাতিলের পথে যুক্তরাষ্ট্র Logo এক চুক্তিতে হজের সব সেবা দেবে সৌদি Logo অনিয়মের জন্য ৪৯টি রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল Logo বাংলাদেশসহ ১৯ দেশের ওষুধে ১০০% শুল্ক ছাড়ের ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের Logo ৪ বছর বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশিদের জন্য খুললো মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার Logo বৈধ পথে শরণার্থী নেওয়ার কর্মসূচি ফের চালু করছে যুক্তরাজ্য Logo হিজাব ছাড়া গান গাওয়ায় ইরানি গায়িকার ৭৪ বেত্রাঘাতের সাজা বহাল Logo যুক্তরাষ্ট্রে স্টুডেন্ট ভিসা: বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা কীভাবে প্রস্তুতি নেবেন Logo ৬ দিন ধরে বাংলাদেশের ভিসা আবেদনের পোর্টাল ডাউন Logo অনুমোদন ছাড়াই পেমেন্ট সেবা, বাংলাদেশে ২২ প্ল্যাটফর্মকে অবৈধ ঘোষণা

৯ দেশের ১৪০ অভিবাসীকে ফেরত পাঠাল মালয়েশিয়া

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ১১:৪৮:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২৬ জন দেখেছেন

মালয়েশিয়ার কেদাহ রাজ্যে আটক বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের ১৪০ অবৈধ অভিবাসীকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (কেএলআইএ) টার্মিনাল-১ ও টার্মিনাল-২ দিয়ে তাদের নিজ নিজ দেশে পাঠানো হয়।

কেদাহ রাজ্যের সিক এলাকার অভিবাসন বিভাগের বেলান্তিক ডিটেনশন ডিপোতে আটক ছিলেন এসব অভিবাসী। ফেরত পাঠানো ১৪০ জনের মধ্যে ১১৭ পুরুষ, ২১ নারী এবং দুই শিশু রয়েছে।

তারা মিয়ানমার, বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া, চীন, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও কেনিয়ার নাগরিক। মালয়েশিয়ার অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩ (আইন ১৫৫) এবং ১৯৬৩ সালের অভিবাসন বিধিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগে তাদের আটক করা হয়েছিল।

অভিবাসন বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আটক ব্যক্তিরা সংশ্লিষ্ট আইনের অধীনে নির্ধারিত সাজা ভোগ সম্পন্ন করার পর তাদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। ফেরত পাঠানোর বিমান টিকিটের খরচ বহন করেছেন আটক ব্যক্তি, তাদের পরিবারের সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর দূতাবাস।

মালয়েশিয়ায় অবৈধভাবে পুনঃপ্রবেশ ঠেকাতে ফেরত পাঠানো প্রত্যেক ব্যক্তির বিরুদ্ধে দেশটির অভিবাসন বিভাগের ব্যবস্থাপনায় কালো তালিকাভুক্ত করার (ব্ল্যাকলিস্ট) পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ফলে ভবিষ্যতে তারা যাতে পুনরায় মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করতে না পারেন, সে বিষয়ে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে।

কেদাহ রাজ্যের অভিবাসন বিভাগ জানিয়েছে, অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবেই এই প্রত্যাবাসন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। দেশটিতে অবৈধ অভিবাসীদের উপস্থিতি ও কার্যক্রম বন্ধে অভিযান, শনাক্তকরণ, আটক, বিচারিক প্রক্রিয়া এবং নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

বিভাগটি আরও জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা ও দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অবৈধ অভিবাসীবিরোধী আইন প্রয়োগ আরও জোরদার করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

অভিবাসী-শরণার্থীদের সহায়তায় বরাদ্দ ৮১০ মিলিয়ন ডলার বাতিলের পথে যুক্তরাষ্ট্র

৯ দেশের ১৪০ অভিবাসীকে ফেরত পাঠাল মালয়েশিয়া

প্রকাশের সময় : ১১:৪৮:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মালয়েশিয়ার কেদাহ রাজ্যে আটক বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের ১৪০ অবৈধ অভিবাসীকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (কেএলআইএ) টার্মিনাল-১ ও টার্মিনাল-২ দিয়ে তাদের নিজ নিজ দেশে পাঠানো হয়।

কেদাহ রাজ্যের সিক এলাকার অভিবাসন বিভাগের বেলান্তিক ডিটেনশন ডিপোতে আটক ছিলেন এসব অভিবাসী। ফেরত পাঠানো ১৪০ জনের মধ্যে ১১৭ পুরুষ, ২১ নারী এবং দুই শিশু রয়েছে।

তারা মিয়ানমার, বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া, চীন, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও কেনিয়ার নাগরিক। মালয়েশিয়ার অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩ (আইন ১৫৫) এবং ১৯৬৩ সালের অভিবাসন বিধিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগে তাদের আটক করা হয়েছিল।

অভিবাসন বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আটক ব্যক্তিরা সংশ্লিষ্ট আইনের অধীনে নির্ধারিত সাজা ভোগ সম্পন্ন করার পর তাদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। ফেরত পাঠানোর বিমান টিকিটের খরচ বহন করেছেন আটক ব্যক্তি, তাদের পরিবারের সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর দূতাবাস।

মালয়েশিয়ায় অবৈধভাবে পুনঃপ্রবেশ ঠেকাতে ফেরত পাঠানো প্রত্যেক ব্যক্তির বিরুদ্ধে দেশটির অভিবাসন বিভাগের ব্যবস্থাপনায় কালো তালিকাভুক্ত করার (ব্ল্যাকলিস্ট) পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ফলে ভবিষ্যতে তারা যাতে পুনরায় মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করতে না পারেন, সে বিষয়ে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে।

কেদাহ রাজ্যের অভিবাসন বিভাগ জানিয়েছে, অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবেই এই প্রত্যাবাসন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। দেশটিতে অবৈধ অভিবাসীদের উপস্থিতি ও কার্যক্রম বন্ধে অভিযান, শনাক্তকরণ, আটক, বিচারিক প্রক্রিয়া এবং নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

বিভাগটি আরও জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা ও দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অবৈধ অভিবাসীবিরোধী আইন প্রয়োগ আরও জোরদার করা হবে।