Dhaka ০২:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
English
সংবাদ শিরোনাম :
Logo অনুমোদন ছাড়াই পেমেন্ট সেবা, বাংলাদেশে ২২ প্ল্যাটফর্মকে অবৈধ ঘোষণা Logo হজ কোটা আরও ২০ হাজার বাড়ানোর দাবি হাবের Logo আন্তর্জাতিক কার্ডে বিদেশি ১৭ এয়ারলাইন্সের টিকিট কেনার সুযোগ Logo বাংলাদেশে জ্বালানি নিয়ে আসা বিমানকে আকাশসীমায় ঢুকতে দেয়নি পাকিস্তান Logo কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনাল থেকে পরীক্ষামূলক ফ্লাইট পরিচালনা শুরু Logo অস্ট্রেলিয়ায় ৩০ হাজারের বেশি আশ্রয়প্রার্থী পেলেন স্থায়ী ভিসা Logo যুক্তরাষ্ট্রে সন্তান জন্ম দিতে ভিজিটর ভিসা নয়, ‘বার্থ ট্যুরিজম’ নিয়ে সতর্কতা Logo কানাডা থেকে ৩৪০ বাংলাদেশি অপসারণ, প্রক্রিয়ায় আরও ১,৩৬৮ জন Logo নেপাল ভ্রমণে বাংলাদেশি পর্যটকদের সতর্ক করল দূতাবাস Logo জার্মানিতে দক্ষ কর্মীদের জন্য সাড়ে ৬ লাখ শূন্য পদ, আবেদন করতে পারবেন যারা

সবচেয়ে বেশি প্রবাসী আয় এসেছে সৌদি থেকে, দ্বিতীয় যুক্তরাজ্য

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ০৪:৪৩:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
  • ৩৩ জন দেখেছেন

নতুন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে দেশের প্রবাসী আয়ে বড় ধরনের গতি লক্ষ্য করা গেছে।

বছরের প্রথম মাসেই মোট ২৮৫ কোটি ৮৬ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। এর মধ্যে শীর্ষ ১০টি দেশ থেকেই এসেছে মোট প্রবাসী আয়ের ৮৬.২৭ শতাংশ; বা ২৪৬ কোটি ৬৪ লাখ ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান বিভাগের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদনে দেখা যায়, মধ্যপ্রাচ্যের শীর্ষ শ্রমবাজার সৌদি আরব যথারীতি রেমিট্যান্স পাঠানোর ক্ষেত্রে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে। দেশটি থেকে এককভাবে এসেছে সর্বোচ্চ ৫৮ কোটি ৭২ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছে যুক্তরাজ্য (ইউকে) থেকে-যার পরিমাণ ৩৯ কোটি ৬৭ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র (ইউএসএ) অবস্থান করছে তৃতীয় স্থানে, দেশটি থেকে এসেছে ২৭ কোটি ৩১ লাখ মার্কিন ডলার।

রেমিট্যান্স প্রবাহের শীর্ষ ১০ দেশের মধ্যে, সৌদি আরব থেকে ৫৮.৭২ কোটি ডলার, যুক্তরাজ্য থেকে ৩৯.৬৭ কোটি ডলার, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২৭.৩১ কোটি ডলার, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) থেকে ২৫.৫৫ কোটি ডলার, ইতালি থেকে ২০.৩১ কোটি ডলার, মালয়েশিয়া থেকে ২০.১৩ কোটি ডলার, কুয়েত থেকে ১৪.৮৭ কোটি ডলার, ওমান থেকে ১৪.১৯ কোটি ডলার, সিঙ্গাপুর থেকে ১৩.৬৯ কোটি ডলার এবং কাতার থেকে ১২.১৫ কোটি ডলার এসেছে। শীর্ষ এ ১০টি দেশ থেকে আসা মোট রেমিট্যান্সের পরিমাণ ২৪৬ কোটি ৬৪ লাখ মার্কিন ডলার।

প্রবাসী আয় পাঠাতে ইউরোপ ও অন্যান্য দেশের ভূমিকা: মধ্যপ্রাচ্য ও দূরপ্রাচ্যের পাশাপাশি ইউরোপীয় দেশগুলো থেকেও আশাব্যঞ্জক সাড়া পাওয়া গেছে। ইউরোপের মধ্যে ইতালি থেকে এসেছে ২০ কোটি ৩১ লাখ ডলার। এছাড়া ফ্রান্স থেকে ৪.০৬ কোটি ডলার, পর্তুগাল থেকে ১.৮১ কোটি ডলার, গ্রিস থেকে ১.৭৪ কোটি ডলার, স্পেন থেকে ১.২২ কোটি ডলার এবং জার্মানি থেকে ১.১৮ কোটি মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।

অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দেশের মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ৩.৬৫ কোটি ডলার, জর্ডান থেকে ৩.৫৩ কোটি ডলার, দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ২.৭১ কোটি ডলার, অস্ট্রেলিয়া থেকে ২.১৩ কোটি ডলার এবং কানাডা থেকে ১.৭০ কোটি ডলার এসেছে।

শীর্ষ ১০ দেশ ছাড়া বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলো থেকে সম্মিলিতভাবে এসেছে ৩৯ কোটি ২২ লাখ ৮০ হাজার ডলার।

প্রবাসী আয় সংগ্রহকারী ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৈধ তথা ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠাতে প্রণোদনা দেওয়ায় এবং প্রক্রিয়া সহজ করায় অর্থবছরের শুরুতেই রেমিট্যান্সের এ সুবাতাস দেখা যাচ্ছে। এটি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও সার্বিক অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

অনুমোদন ছাড়াই পেমেন্ট সেবা, বাংলাদেশে ২২ প্ল্যাটফর্মকে অবৈধ ঘোষণা

সবচেয়ে বেশি প্রবাসী আয় এসেছে সৌদি থেকে, দ্বিতীয় যুক্তরাজ্য

প্রকাশের সময় : ০৪:৪৩:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬

নতুন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে দেশের প্রবাসী আয়ে বড় ধরনের গতি লক্ষ্য করা গেছে।

বছরের প্রথম মাসেই মোট ২৮৫ কোটি ৮৬ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। এর মধ্যে শীর্ষ ১০টি দেশ থেকেই এসেছে মোট প্রবাসী আয়ের ৮৬.২৭ শতাংশ; বা ২৪৬ কোটি ৬৪ লাখ ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান বিভাগের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদনে দেখা যায়, মধ্যপ্রাচ্যের শীর্ষ শ্রমবাজার সৌদি আরব যথারীতি রেমিট্যান্স পাঠানোর ক্ষেত্রে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে। দেশটি থেকে এককভাবে এসেছে সর্বোচ্চ ৫৮ কোটি ৭২ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছে যুক্তরাজ্য (ইউকে) থেকে-যার পরিমাণ ৩৯ কোটি ৬৭ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র (ইউএসএ) অবস্থান করছে তৃতীয় স্থানে, দেশটি থেকে এসেছে ২৭ কোটি ৩১ লাখ মার্কিন ডলার।

রেমিট্যান্স প্রবাহের শীর্ষ ১০ দেশের মধ্যে, সৌদি আরব থেকে ৫৮.৭২ কোটি ডলার, যুক্তরাজ্য থেকে ৩৯.৬৭ কোটি ডলার, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২৭.৩১ কোটি ডলার, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) থেকে ২৫.৫৫ কোটি ডলার, ইতালি থেকে ২০.৩১ কোটি ডলার, মালয়েশিয়া থেকে ২০.১৩ কোটি ডলার, কুয়েত থেকে ১৪.৮৭ কোটি ডলার, ওমান থেকে ১৪.১৯ কোটি ডলার, সিঙ্গাপুর থেকে ১৩.৬৯ কোটি ডলার এবং কাতার থেকে ১২.১৫ কোটি ডলার এসেছে। শীর্ষ এ ১০টি দেশ থেকে আসা মোট রেমিট্যান্সের পরিমাণ ২৪৬ কোটি ৬৪ লাখ মার্কিন ডলার।

প্রবাসী আয় পাঠাতে ইউরোপ ও অন্যান্য দেশের ভূমিকা: মধ্যপ্রাচ্য ও দূরপ্রাচ্যের পাশাপাশি ইউরোপীয় দেশগুলো থেকেও আশাব্যঞ্জক সাড়া পাওয়া গেছে। ইউরোপের মধ্যে ইতালি থেকে এসেছে ২০ কোটি ৩১ লাখ ডলার। এছাড়া ফ্রান্স থেকে ৪.০৬ কোটি ডলার, পর্তুগাল থেকে ১.৮১ কোটি ডলার, গ্রিস থেকে ১.৭৪ কোটি ডলার, স্পেন থেকে ১.২২ কোটি ডলার এবং জার্মানি থেকে ১.১৮ কোটি মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।

অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দেশের মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ৩.৬৫ কোটি ডলার, জর্ডান থেকে ৩.৫৩ কোটি ডলার, দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ২.৭১ কোটি ডলার, অস্ট্রেলিয়া থেকে ২.১৩ কোটি ডলার এবং কানাডা থেকে ১.৭০ কোটি ডলার এসেছে।

শীর্ষ ১০ দেশ ছাড়া বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলো থেকে সম্মিলিতভাবে এসেছে ৩৯ কোটি ২২ লাখ ৮০ হাজার ডলার।

প্রবাসী আয় সংগ্রহকারী ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৈধ তথা ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠাতে প্রণোদনা দেওয়ায় এবং প্রক্রিয়া সহজ করায় অর্থবছরের শুরুতেই রেমিট্যান্সের এ সুবাতাস দেখা যাচ্ছে। এটি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও সার্বিক অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।