Dhaka ০৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
English
সংবাদ শিরোনাম :
Logo অভিবাসী-শরণার্থীদের সহায়তায় বরাদ্দ ৮১০ মিলিয়ন ডলার বাতিলের পথে যুক্তরাষ্ট্র Logo এক চুক্তিতে হজের সব সেবা দেবে সৌদি Logo অনিয়মের জন্য ৪৯টি রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল Logo বাংলাদেশসহ ১৯ দেশের ওষুধে ১০০% শুল্ক ছাড়ের ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের Logo ৪ বছর বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশিদের জন্য খুললো মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার Logo বৈধ পথে শরণার্থী নেওয়ার কর্মসূচি ফের চালু করছে যুক্তরাজ্য Logo হিজাব ছাড়া গান গাওয়ায় ইরানি গায়িকার ৭৪ বেত্রাঘাতের সাজা বহাল Logo যুক্তরাষ্ট্রে স্টুডেন্ট ভিসা: বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা কীভাবে প্রস্তুতি নেবেন Logo ৬ দিন ধরে বাংলাদেশের ভিসা আবেদনের পোর্টাল ডাউন Logo অনুমোদন ছাড়াই পেমেন্ট সেবা, বাংলাদেশে ২২ প্ল্যাটফর্মকে অবৈধ ঘোষণা

বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক ট্যুরিজম হাব করতে কাজ করছে সরকার: পর্যটনমন্ত্রী

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ০৫:১৪:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬
  • ১০৪ জন দেখেছেন

বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক মানের ট্যুরিজম হাব হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম।

বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে আগারগাঁওয়ের পর্যটন ভবনে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড আয়োজিত ‘ইকো-ট্যুরিজম প্রসারে সরকারি-বেসরকারি খাতের অংশীদারিত্ব ও সচেতনতা বৃদ্ধি’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

আফরোজা খানম বলেন, স্বাধীনতার ৫৫ বছর পেরিয়ে গেলেও পর্যটন খাতে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের নজির কম। বর্তমান সরকার নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশকে ট্যুরিজম হাব হিসেবে গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর। সরকারের পাঁচ মাসের মেয়াদে পর্যটন খাতের উন্নয়নে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

দেশের সম্ভাবনাময় পর্যটন স্থানগুলো কাজে লাগানোর পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করা ‘এসডিজি ভিলেজ’গুলোকে কেন্দ্র করে নতুন পর্যটন স্পট তৈরির পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে রাঙামাটির কাপ্তাইয়ের মিতিঙ্গাছড়ি, খুলনার দাকোপের পানখালী ও দিনাজপুরের বোচাগঞ্জের নাফানগর গ্রাম। পর্যায়ক্রমে দেশের ৬৪ জেলার পর্যটন সম্ভাবনাময় স্থান চিহ্নিত করে সেগুলোকে আন্তর্জাতিক পর্যটন গন্তব্য হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

সরকারি প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি খাতের মধ্যে তথ্যের ঘাটতি দূর করতে প্রতি মাসে অংশীজনদের নিয়ে বৈঠক আয়োজন করা হবে বলেও জানান তিনি।

সেমিনারে ‘গেস্ট অব অনার’ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন সচিব ফাহমিদা আখতার, এনডিসি। তিনি বলেন, পর্যটন খাতের উন্নয়ন ও তথ্যের ঘাটতি কমাতে ইতোমধ্যে ‘ট্যুরিজম স্যাটেলাইট অ্যাকাউন্ট’-এর কাজ শুরু হয়েছে। পাশাপাশি ইকো-ট্যুরিজম নীতিমালা তৈরির প্রক্রিয়াও চলছে। অতীতের সমন্বয়হীনতা দূর করে সব অংশীজনের সহযোগিতায় পর্যটন খাতকে এগিয়ে নেওয়া হবে।

বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আব্দুর রউফ, এনডিসির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. সামীমুজ্জামান।

সেমিনারে বাংলাদেশে ইকো-ট্যুরিজমের বর্তমান অবস্থা, গুরুত্ব, চ্যালেঞ্জ ও উন্নয়ন কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি অ্যান্ড উড টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ওয়াসিউল ইসলাম।

জনপ্রিয় সংবাদ

অভিবাসী-শরণার্থীদের সহায়তায় বরাদ্দ ৮১০ মিলিয়ন ডলার বাতিলের পথে যুক্তরাষ্ট্র

বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক ট্যুরিজম হাব করতে কাজ করছে সরকার: পর্যটনমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ০৫:১৪:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক মানের ট্যুরিজম হাব হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম।

বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে আগারগাঁওয়ের পর্যটন ভবনে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড আয়োজিত ‘ইকো-ট্যুরিজম প্রসারে সরকারি-বেসরকারি খাতের অংশীদারিত্ব ও সচেতনতা বৃদ্ধি’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

আফরোজা খানম বলেন, স্বাধীনতার ৫৫ বছর পেরিয়ে গেলেও পর্যটন খাতে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের নজির কম। বর্তমান সরকার নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশকে ট্যুরিজম হাব হিসেবে গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর। সরকারের পাঁচ মাসের মেয়াদে পর্যটন খাতের উন্নয়নে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

দেশের সম্ভাবনাময় পর্যটন স্থানগুলো কাজে লাগানোর পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করা ‘এসডিজি ভিলেজ’গুলোকে কেন্দ্র করে নতুন পর্যটন স্পট তৈরির পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে রাঙামাটির কাপ্তাইয়ের মিতিঙ্গাছড়ি, খুলনার দাকোপের পানখালী ও দিনাজপুরের বোচাগঞ্জের নাফানগর গ্রাম। পর্যায়ক্রমে দেশের ৬৪ জেলার পর্যটন সম্ভাবনাময় স্থান চিহ্নিত করে সেগুলোকে আন্তর্জাতিক পর্যটন গন্তব্য হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

সরকারি প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি খাতের মধ্যে তথ্যের ঘাটতি দূর করতে প্রতি মাসে অংশীজনদের নিয়ে বৈঠক আয়োজন করা হবে বলেও জানান তিনি।

সেমিনারে ‘গেস্ট অব অনার’ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন সচিব ফাহমিদা আখতার, এনডিসি। তিনি বলেন, পর্যটন খাতের উন্নয়ন ও তথ্যের ঘাটতি কমাতে ইতোমধ্যে ‘ট্যুরিজম স্যাটেলাইট অ্যাকাউন্ট’-এর কাজ শুরু হয়েছে। পাশাপাশি ইকো-ট্যুরিজম নীতিমালা তৈরির প্রক্রিয়াও চলছে। অতীতের সমন্বয়হীনতা দূর করে সব অংশীজনের সহযোগিতায় পর্যটন খাতকে এগিয়ে নেওয়া হবে।

বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আব্দুর রউফ, এনডিসির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. সামীমুজ্জামান।

সেমিনারে বাংলাদেশে ইকো-ট্যুরিজমের বর্তমান অবস্থা, গুরুত্ব, চ্যালেঞ্জ ও উন্নয়ন কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি অ্যান্ড উড টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ওয়াসিউল ইসলাম।