Dhaka ০৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
English
সংবাদ শিরোনাম :
Logo অভিবাসী-শরণার্থীদের সহায়তায় বরাদ্দ ৮১০ মিলিয়ন ডলার বাতিলের পথে যুক্তরাষ্ট্র Logo এক চুক্তিতে হজের সব সেবা দেবে সৌদি Logo অনিয়মের জন্য ৪৯টি রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল Logo বাংলাদেশসহ ১৯ দেশের ওষুধে ১০০% শুল্ক ছাড়ের ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের Logo ৪ বছর বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশিদের জন্য খুললো মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার Logo বৈধ পথে শরণার্থী নেওয়ার কর্মসূচি ফের চালু করছে যুক্তরাজ্য Logo হিজাব ছাড়া গান গাওয়ায় ইরানি গায়িকার ৭৪ বেত্রাঘাতের সাজা বহাল Logo যুক্তরাষ্ট্রে স্টুডেন্ট ভিসা: বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা কীভাবে প্রস্তুতি নেবেন Logo ৬ দিন ধরে বাংলাদেশের ভিসা আবেদনের পোর্টাল ডাউন Logo অনুমোদন ছাড়াই পেমেন্ট সেবা, বাংলাদেশে ২২ প্ল্যাটফর্মকে অবৈধ ঘোষণা

এসএসসি-সমমানে পাসের হার ১৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ০১:৩৩:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
  • ৯২ জন দেখেছেন

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এবার পাসের হার নেমে এসেছে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশে, যা গত ১৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। অর্থাৎ ২০০৭ সালের পর এবারই মাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষায় সবচেয়ে কম শিক্ষার্থী পাস করেছে।

সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ড একযোগে এ বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করে। এ বছর ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন।

গত বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ২০ শতাংশীয় পয়েন্ট। ২০০৭ সালে পাসের হার ছিল ৫৭ দশমিক ৩৭ শতাংশ। আর ২০২১ সালে সর্বোচ্চ ৯৩ দশমিক ৬ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছিল।

এবার ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। গত বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন। ফলে এক বছরের ব্যবধানে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ২২ হাজার ৩৫৬ জন।

১১টি শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬৪ দশমিক ০৫ শতাংশ। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে দাখিল পরীক্ষায় পাসের হার ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ৫৮ দশমিক ২০ শতাংশ।

ফলাফলে এবারও ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীরা এগিয়ে রয়েছে। ছাত্রদের পাসের হার ৫৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ, যেখানে ছাত্রীদের পাসের হার ৬৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ। মোট ৯ লাখ ১৭ হাজার ৬৯৪ জন ছাত্র পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে ৫ লাখ ৩০ হাজার ৯৩৮ জন। অন্যদিকে ৯ লাখ ১১ হাজার ৭৯১ জন ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে ৬ লাখ ৭ হাজার ৯৩৯ জন।

জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রেও ছাত্রীরা এগিয়ে। মোট ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্রী ৬৩ হাজার ৮৯৬ জন এবং ছাত্র ৫২ হাজার ৭৮০ জন।

এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয় ২১ এপ্রিল। এসএসসির তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হয় ২০ মে। দাখিল এবং এসএসসি ও ভোকেশনালের তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হয় ২৪ মে। পরীক্ষা শেষ হওয়ার প্রায় দুই মাস পর সোমবার ফল প্রকাশ করা হলো।

শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট এবং মোবাইল ফোনে খুদে বার্তার মাধ্যমে ফলাফল জানতে পারছে।

আশানুরূপ ফল না পাওয়া শিক্ষার্থীরা মঙ্গলবার থেকে খাতা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করতে পারবে। প্রতিটি পত্রের জন্য ১৫০ টাকা হারে ফি দিয়ে অনলাইনে এ আবেদন করতে হবে। হাতে হাতে বা ম্যানুয়ালি কোনো আবেদন গ্রহণ করবে না শিক্ষা বোর্ডগুলো।

এদিকে এসএসসি ও সমমানের ফলের ভিত্তিতে এবারও একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ এবং প্রাপ্ত নম্বর ও পছন্দক্রমের ভিত্তিতে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। দেশে একাদশ শ্রেণির জন্য ২৬ লাখের বেশি আসন থাকায় এবারও প্রায় পৌনে আট লাখ আসন ফাঁকা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

অভিবাসী-শরণার্থীদের সহায়তায় বরাদ্দ ৮১০ মিলিয়ন ডলার বাতিলের পথে যুক্তরাষ্ট্র

এসএসসি-সমমানে পাসের হার ১৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন

প্রকাশের সময় : ০১:৩৩:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এবার পাসের হার নেমে এসেছে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশে, যা গত ১৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। অর্থাৎ ২০০৭ সালের পর এবারই মাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষায় সবচেয়ে কম শিক্ষার্থী পাস করেছে।

সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ড একযোগে এ বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করে। এ বছর ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন।

গত বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ২০ শতাংশীয় পয়েন্ট। ২০০৭ সালে পাসের হার ছিল ৫৭ দশমিক ৩৭ শতাংশ। আর ২০২১ সালে সর্বোচ্চ ৯৩ দশমিক ৬ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছিল।

এবার ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। গত বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন। ফলে এক বছরের ব্যবধানে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ২২ হাজার ৩৫৬ জন।

১১টি শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬৪ দশমিক ০৫ শতাংশ। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে দাখিল পরীক্ষায় পাসের হার ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ৫৮ দশমিক ২০ শতাংশ।

ফলাফলে এবারও ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীরা এগিয়ে রয়েছে। ছাত্রদের পাসের হার ৫৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ, যেখানে ছাত্রীদের পাসের হার ৬৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ। মোট ৯ লাখ ১৭ হাজার ৬৯৪ জন ছাত্র পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে ৫ লাখ ৩০ হাজার ৯৩৮ জন। অন্যদিকে ৯ লাখ ১১ হাজার ৭৯১ জন ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে ৬ লাখ ৭ হাজার ৯৩৯ জন।

জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রেও ছাত্রীরা এগিয়ে। মোট ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্রী ৬৩ হাজার ৮৯৬ জন এবং ছাত্র ৫২ হাজার ৭৮০ জন।

এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয় ২১ এপ্রিল। এসএসসির তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হয় ২০ মে। দাখিল এবং এসএসসি ও ভোকেশনালের তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হয় ২৪ মে। পরীক্ষা শেষ হওয়ার প্রায় দুই মাস পর সোমবার ফল প্রকাশ করা হলো।

শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট এবং মোবাইল ফোনে খুদে বার্তার মাধ্যমে ফলাফল জানতে পারছে।

আশানুরূপ ফল না পাওয়া শিক্ষার্থীরা মঙ্গলবার থেকে খাতা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করতে পারবে। প্রতিটি পত্রের জন্য ১৫০ টাকা হারে ফি দিয়ে অনলাইনে এ আবেদন করতে হবে। হাতে হাতে বা ম্যানুয়ালি কোনো আবেদন গ্রহণ করবে না শিক্ষা বোর্ডগুলো।

এদিকে এসএসসি ও সমমানের ফলের ভিত্তিতে এবারও একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ এবং প্রাপ্ত নম্বর ও পছন্দক্রমের ভিত্তিতে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। দেশে একাদশ শ্রেণির জন্য ২৬ লাখের বেশি আসন থাকায় এবারও প্রায় পৌনে আট লাখ আসন ফাঁকা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।