Dhaka ০৭:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
English
সংবাদ শিরোনাম :
Logo জাপানে স্থায়ী বসবাসের ফি বাড়লো ২০ গুণ! Logo সৌদি আরবে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি সতর্কবার্তা Logo আয়ারল্যান্ডে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করল বাংলাদেশ দূতাবাস Logo লিবিয়ায় আটক ১৮ বাংলাদেশি দেশে ফিরলেন Logo ট্রাম্পের ১ লাখ ডলারের H-1B ভিসা ফি আবারও আটকে দিল আদালত Logo যুক্তরাষ্ট্রের EB-1A ভিসায় গ্রিন কার্ড, যে ৫ ক্ষেত্রে যোগ্যতা থাকলে আবেদন করা যায় Logo যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও ৭ মাসে বিদেশে গেছে ৪ লাখ ৩৪ হাজার কর্মী Logo ৫ অক্টোবর থেকে শেনজেন ভিসার সিদ্ধান্ত নেবে না সুইডেন দূতাবাস Logo নতুন অভিবাসন পরিকল্পনা আনছে কানাডা, কারা পাবেন অগ্রাধিকার? Logo ছয় মাসে হারিয়েছে লক্ষাধিক বাংলাদেশি পাসপোর্ট, নেপথ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য

যুক্তরাষ্ট্রের EB-1A ভিসায় গ্রিন কার্ড, যে ৫ ক্ষেত্রে যোগ্যতা থাকলে আবেদন করা যায়

যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য কর্মভিত্তিক গ্রিন কার্ডের প্রথম অগ্রাধিকার শ্রেণি EB-1-এর আওতায় অসাধারণ দক্ষতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য রয়েছে বিশেষ একটি পথ। EB-1A নামে পরিচিত এই শ্রেণিতে আবেদনকারীর কোনো নির্দিষ্ট চাকরির প্রস্তাব বা নিয়োগকর্তার পৃষ্ঠপোষকতা থাকা বাধ্যতামূলক নয়। তবে আবেদনকারীকে নিজের পেশাগত ক্ষেত্রে জাতীয় বা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ধারাবাহিক স্বীকৃতি ও অসাধারণ সাফল্যের প্রমাণ দিতে হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা, ইউএসসিআইএসের সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, EB-1A শ্রেণিতে যোগ্যতার ক্ষেত্র পাঁচটি। এগুলো হলো বিজ্ঞান, শিল্প, শিক্ষা, ব্যবসা এবং ক্রীড়া। অর্থাৎ এসব ক্ষেত্রের কোনো একটিতে অসাধারণ দক্ষতা ও স্বীকৃতির প্রমাণ থাকলে একজন বিদেশি নাগরিক EB-1A শ্রেণিতে গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারেন।

তবে শুধু এই পাঁচ ক্ষেত্রের কোনো একটিতে কাজ করলেই EB-1A-এর জন্য যোগ্য হওয়া যায় না। ইউএসসিআইএসের নিয়ম অনুযায়ী, আবেদনকারীকে নিজের ক্ষেত্রে ধারাবাহিক জাতীয় বা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছেন এবং তার সাফল্য সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে স্বীকৃত হয়েছে, এমন প্রমাণ দিতে হয়। অর্থাৎ পেশার ক্ষেত্রের পাশাপাশি ব্যক্তির অর্জন, পরিচিতি এবং সেই অর্জনের স্বীকৃতিও গুরুত্বপূর্ণ।

EB-1A আবেদনের ক্ষেত্রে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের প্রমাণ বিবেচনা করা হয়। ইউএসসিআইএসের Form I-140 নির্দেশনায় পুরস্কার বা সম্মাননা, পেশাগত সংগঠনের সদস্যপদ, আবেদনকারীকে নিয়ে প্রকাশিত উপাদান, অন্যদের কাজ মূল্যায়নের দায়িত্ব, মৌলিক গুরুত্বপূর্ণ অবদান, বৈজ্ঞানিক বা একাডেমিক লেখা, প্রদর্শনী বা শিল্পকর্ম, গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে নেতৃত্বমূলক ভূমিকা, তুলনামূলকভাবে উচ্চ পারিশ্রমিক এবং পারফর্মিং আর্টসে বাণিজ্যিক সাফল্যের মতো বিষয়গুলোর প্রমাণের কথা উল্লেখ রয়েছে।

নির্ধারিত প্রমাণের কাঠামোর ক্ষেত্রে আবেদনকারীকে সাধারণত ১০টি নির্ধারিত মানদণ্ডের মধ্যে অন্তত তিনটি পূরণ করার প্রমাণ দিতে হয়, অথবা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে তুলনীয় প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেন। তবে অন্তত তিনটি মানদণ্ড পূরণ করলেই আবেদন স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুমোদিত হয় না। ইউএসসিআইএস পরে পুরো প্রমাণপত্র বিবেচনা করে আবেদনকারী সত্যিই সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে অসাধারণ দক্ষতার পর্যায়ে রয়েছেন কি না, সেটিও মূল্যায়ন করে।

EB-1A-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো, আবেদনকারী নিজেই নিজের হয়ে Form I-140, Petition for Alien Worker জমা দিতে পারেন। অর্থাৎ এই নির্দিষ্ট শ্রেণিতে কোনো মার্কিন নিয়োগকর্তাকে আবেদনকারীর পক্ষে পিটিশন দাখিল করতে হয় না। একই কারণে EB-1A-এর জন্য সাধারণ কর্মভিত্তিক শ্রম সনদ বা শ্রমবাজার পরীক্ষার প্রয়োজন হয় না। ইউএসসিআইএসের নীতিমালাতেও বিজ্ঞান, শিল্প, শিক্ষা, ব্যবসা ও ক্রীড়া ক্ষেত্রে অসাধারণ দক্ষতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের স্ব-আবেদনের এই সুযোগের কথা বলা হয়েছে।

তবে EB-1-এর সব শ্রেণির নিয়ম এক নয়। প্রথম অগ্রাধিকার কর্মভিত্তিক অভিবাসন শ্রেণির মধ্যে EB-1A ছাড়াও অসাধারণ অধ্যাপক বা গবেষক এবং বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের নির্দিষ্ট ব্যবস্থাপক বা নির্বাহী কর্মকর্তাদের জন্য আলাদা দুটি শ্রেণি রয়েছে। অসাধারণ অধ্যাপক বা গবেষক শ্রেণিতে আবেদনকারীর সংশ্লিষ্ট একাডেমিক ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত হওয়ার পাশাপাশি অন্তত তিন বছরের শিক্ষকতা বা গবেষণার অভিজ্ঞতা থাকতে হয় এবং সাধারণত একজন মার্কিন নিয়োগকর্তাকে আবেদন করতে হয়।

অন্যদিকে বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক বা নির্বাহী কর্মকর্তাদের শ্রেণিতেও মার্কিন নিয়োগকর্তার পিটিশন প্রয়োজন হয়। ইউএসসিআইএসের নিয়ম অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে একই প্রতিষ্ঠান, তার মূল প্রতিষ্ঠান, শাখা, সহযোগী বা অধীনস্থ প্রতিষ্ঠানে গত তিন বছরের মধ্যে অন্তত এক বছর ব্যবস্থাপক বা নির্বাহী হিসেবে কাজ করার প্রমাণ দিতে হয়।

EB-1-এর আওতায় আবেদন অনুমোদিত হলে পরিবারের নির্দিষ্ট সদস্যরাও অভিবাসনের সুযোগ পেতে পারেন। ইউএসসিআইএসের তথ্য অনুযায়ী, প্রধান আবেদনকারীর স্বামী বা স্ত্রী এবং অবিবাহিত ২১ বছরের কম বয়সী সন্তানরা সংশ্লিষ্ট অভিবাসী মর্যাদায় যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার জন্য আবেদন করতে পারেন।

তবে EB-1A কোনো স্বয়ংক্রিয় গ্রিন কার্ড ব্যবস্থা নয়। আবেদনকারীকে নিজের যোগ্যতা, অর্জন এবং সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে স্বীকৃতির বিষয়ে যথেষ্ট নথি দিতে হয়। ইউএসসিআইএসের মূল্যায়নে শুধু প্রমাণের সংখ্যা নয়, সেগুলোর মান এবং পুরো আবেদনের সামগ্রিক চিত্রও গুরুত্বপূর্ণ।

যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ডের জন্য EB-1A বিবেচনা করছেন এমন ব্যক্তিদের তাই শুধু নিজের পেশার ক্ষেত্রটি পাঁচটি নির্ধারিত বিভাগের মধ্যে পড়ে কি না, সেটি দেখলেই হবে না। সেই ক্ষেত্রের মধ্যে জাতীয় বা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অর্জিত স্বীকৃতি, পেশাগত অবদান এবং তা প্রমাণ করার মতো নথিপত্রও প্রস্তুত করতে হয়। অভিবাসন আইনের জটিলতা বিবেচনায় ব্যক্তিগত পরিস্থিতি অনুযায়ী যোগ্যতা যাচাইয়ের জন্য অনুমোদিত অভিবাসন আইনজীবী বা স্বীকৃত আইনগত সহায়তাকারীর পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে। সূত্র: ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস (USCIS)

জাপানে স্থায়ী বসবাসের ফি বাড়লো ২০ গুণ!

যুক্তরাষ্ট্রের EB-1A ভিসায় গ্রিন কার্ড, যে ৫ ক্ষেত্রে যোগ্যতা থাকলে আবেদন করা যায়

প্রকাশের সময় : ০৩:৫৫:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য কর্মভিত্তিক গ্রিন কার্ডের প্রথম অগ্রাধিকার শ্রেণি EB-1-এর আওতায় অসাধারণ দক্ষতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য রয়েছে বিশেষ একটি পথ। EB-1A নামে পরিচিত এই শ্রেণিতে আবেদনকারীর কোনো নির্দিষ্ট চাকরির প্রস্তাব বা নিয়োগকর্তার পৃষ্ঠপোষকতা থাকা বাধ্যতামূলক নয়। তবে আবেদনকারীকে নিজের পেশাগত ক্ষেত্রে জাতীয় বা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ধারাবাহিক স্বীকৃতি ও অসাধারণ সাফল্যের প্রমাণ দিতে হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা, ইউএসসিআইএসের সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, EB-1A শ্রেণিতে যোগ্যতার ক্ষেত্র পাঁচটি। এগুলো হলো বিজ্ঞান, শিল্প, শিক্ষা, ব্যবসা এবং ক্রীড়া। অর্থাৎ এসব ক্ষেত্রের কোনো একটিতে অসাধারণ দক্ষতা ও স্বীকৃতির প্রমাণ থাকলে একজন বিদেশি নাগরিক EB-1A শ্রেণিতে গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারেন।

তবে শুধু এই পাঁচ ক্ষেত্রের কোনো একটিতে কাজ করলেই EB-1A-এর জন্য যোগ্য হওয়া যায় না। ইউএসসিআইএসের নিয়ম অনুযায়ী, আবেদনকারীকে নিজের ক্ষেত্রে ধারাবাহিক জাতীয় বা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছেন এবং তার সাফল্য সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে স্বীকৃত হয়েছে, এমন প্রমাণ দিতে হয়। অর্থাৎ পেশার ক্ষেত্রের পাশাপাশি ব্যক্তির অর্জন, পরিচিতি এবং সেই অর্জনের স্বীকৃতিও গুরুত্বপূর্ণ।

EB-1A আবেদনের ক্ষেত্রে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের প্রমাণ বিবেচনা করা হয়। ইউএসসিআইএসের Form I-140 নির্দেশনায় পুরস্কার বা সম্মাননা, পেশাগত সংগঠনের সদস্যপদ, আবেদনকারীকে নিয়ে প্রকাশিত উপাদান, অন্যদের কাজ মূল্যায়নের দায়িত্ব, মৌলিক গুরুত্বপূর্ণ অবদান, বৈজ্ঞানিক বা একাডেমিক লেখা, প্রদর্শনী বা শিল্পকর্ম, গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে নেতৃত্বমূলক ভূমিকা, তুলনামূলকভাবে উচ্চ পারিশ্রমিক এবং পারফর্মিং আর্টসে বাণিজ্যিক সাফল্যের মতো বিষয়গুলোর প্রমাণের কথা উল্লেখ রয়েছে।

নির্ধারিত প্রমাণের কাঠামোর ক্ষেত্রে আবেদনকারীকে সাধারণত ১০টি নির্ধারিত মানদণ্ডের মধ্যে অন্তত তিনটি পূরণ করার প্রমাণ দিতে হয়, অথবা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে তুলনীয় প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেন। তবে অন্তত তিনটি মানদণ্ড পূরণ করলেই আবেদন স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুমোদিত হয় না। ইউএসসিআইএস পরে পুরো প্রমাণপত্র বিবেচনা করে আবেদনকারী সত্যিই সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে অসাধারণ দক্ষতার পর্যায়ে রয়েছেন কি না, সেটিও মূল্যায়ন করে।

EB-1A-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো, আবেদনকারী নিজেই নিজের হয়ে Form I-140, Petition for Alien Worker জমা দিতে পারেন। অর্থাৎ এই নির্দিষ্ট শ্রেণিতে কোনো মার্কিন নিয়োগকর্তাকে আবেদনকারীর পক্ষে পিটিশন দাখিল করতে হয় না। একই কারণে EB-1A-এর জন্য সাধারণ কর্মভিত্তিক শ্রম সনদ বা শ্রমবাজার পরীক্ষার প্রয়োজন হয় না। ইউএসসিআইএসের নীতিমালাতেও বিজ্ঞান, শিল্প, শিক্ষা, ব্যবসা ও ক্রীড়া ক্ষেত্রে অসাধারণ দক্ষতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের স্ব-আবেদনের এই সুযোগের কথা বলা হয়েছে।

তবে EB-1-এর সব শ্রেণির নিয়ম এক নয়। প্রথম অগ্রাধিকার কর্মভিত্তিক অভিবাসন শ্রেণির মধ্যে EB-1A ছাড়াও অসাধারণ অধ্যাপক বা গবেষক এবং বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের নির্দিষ্ট ব্যবস্থাপক বা নির্বাহী কর্মকর্তাদের জন্য আলাদা দুটি শ্রেণি রয়েছে। অসাধারণ অধ্যাপক বা গবেষক শ্রেণিতে আবেদনকারীর সংশ্লিষ্ট একাডেমিক ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত হওয়ার পাশাপাশি অন্তত তিন বছরের শিক্ষকতা বা গবেষণার অভিজ্ঞতা থাকতে হয় এবং সাধারণত একজন মার্কিন নিয়োগকর্তাকে আবেদন করতে হয়।

অন্যদিকে বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক বা নির্বাহী কর্মকর্তাদের শ্রেণিতেও মার্কিন নিয়োগকর্তার পিটিশন প্রয়োজন হয়। ইউএসসিআইএসের নিয়ম অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে একই প্রতিষ্ঠান, তার মূল প্রতিষ্ঠান, শাখা, সহযোগী বা অধীনস্থ প্রতিষ্ঠানে গত তিন বছরের মধ্যে অন্তত এক বছর ব্যবস্থাপক বা নির্বাহী হিসেবে কাজ করার প্রমাণ দিতে হয়।

EB-1-এর আওতায় আবেদন অনুমোদিত হলে পরিবারের নির্দিষ্ট সদস্যরাও অভিবাসনের সুযোগ পেতে পারেন। ইউএসসিআইএসের তথ্য অনুযায়ী, প্রধান আবেদনকারীর স্বামী বা স্ত্রী এবং অবিবাহিত ২১ বছরের কম বয়সী সন্তানরা সংশ্লিষ্ট অভিবাসী মর্যাদায় যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার জন্য আবেদন করতে পারেন।

তবে EB-1A কোনো স্বয়ংক্রিয় গ্রিন কার্ড ব্যবস্থা নয়। আবেদনকারীকে নিজের যোগ্যতা, অর্জন এবং সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে স্বীকৃতির বিষয়ে যথেষ্ট নথি দিতে হয়। ইউএসসিআইএসের মূল্যায়নে শুধু প্রমাণের সংখ্যা নয়, সেগুলোর মান এবং পুরো আবেদনের সামগ্রিক চিত্রও গুরুত্বপূর্ণ।

যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ডের জন্য EB-1A বিবেচনা করছেন এমন ব্যক্তিদের তাই শুধু নিজের পেশার ক্ষেত্রটি পাঁচটি নির্ধারিত বিভাগের মধ্যে পড়ে কি না, সেটি দেখলেই হবে না। সেই ক্ষেত্রের মধ্যে জাতীয় বা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অর্জিত স্বীকৃতি, পেশাগত অবদান এবং তা প্রমাণ করার মতো নথিপত্রও প্রস্তুত করতে হয়। অভিবাসন আইনের জটিলতা বিবেচনায় ব্যক্তিগত পরিস্থিতি অনুযায়ী যোগ্যতা যাচাইয়ের জন্য অনুমোদিত অভিবাসন আইনজীবী বা স্বীকৃত আইনগত সহায়তাকারীর পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে। সূত্র: ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস (USCIS)