Dhaka ০৭:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
English
সংবাদ শিরোনাম :
Logo জাপানে স্থায়ী বসবাসের ফি বাড়লো ২০ গুণ! Logo সৌদি আরবে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি সতর্কবার্তা Logo আয়ারল্যান্ডে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করল বাংলাদেশ দূতাবাস Logo লিবিয়ায় আটক ১৮ বাংলাদেশি দেশে ফিরলেন Logo ট্রাম্পের ১ লাখ ডলারের H-1B ভিসা ফি আবারও আটকে দিল আদালত Logo যুক্তরাষ্ট্রের EB-1A ভিসায় গ্রিন কার্ড, যে ৫ ক্ষেত্রে যোগ্যতা থাকলে আবেদন করা যায় Logo যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও ৭ মাসে বিদেশে গেছে ৪ লাখ ৩৪ হাজার কর্মী Logo ৫ অক্টোবর থেকে শেনজেন ভিসার সিদ্ধান্ত নেবে না সুইডেন দূতাবাস Logo নতুন অভিবাসন পরিকল্পনা আনছে কানাডা, কারা পাবেন অগ্রাধিকার? Logo ছয় মাসে হারিয়েছে লক্ষাধিক বাংলাদেশি পাসপোর্ট, নেপথ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য

যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও ৭ মাসে বিদেশে গেছে ৪ লাখ ৩৪ হাজার কর্মী

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : ০২:৫৬:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬
  • ১ জন দেখেছেন

যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও গত সাত মাসে প্রায় ৪ লাখ ৩৪ হাজার কর্মী বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি বলেন, প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও দেশের শ্রমবাজার ধরে রাখার পাশাপাশি সামনে আরও ভালো ফলাফল পাওয়ার আশা করছে সরকার।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অভ্যন্তরে প্রবাসী কর্মীদের স্বাচ্ছন্দ্যে লাগেজ পরিবহনের জন্য ট্রলি কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ও প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।

পরিদর্শনকালে মন্ত্রী বিদেশগামী যাত্রীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন এবং তাদের সুযোগ-সুবিধা, চাহিদা ও বিভিন্ন ভোগান্তির বিষয়ে খোঁজখবর নেন।

মন্ত্রী বলেন, বিদেশগামী কর্মীদের অবশ্যই দক্ষ হয়ে প্রবাসে যেতে হবে। দক্ষ কর্মী পাঠাতে না পারলে শুধু সংখ্যা বাড়িয়ে লাখ লাখ কর্মী পাঠিয়ে দেশের কোনো প্রকৃত লাভ হবে না।

যাত্রীদের স্বাস্থ্যসেবার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের উদ্দেশে তিনি বলেন, প্রবাসী কর্মীদের সুবিধার্থে এখানে দ্রুত একটি জরুরি চিকিৎসাকেন্দ্র স্থাপন করতে হবে। এরইমধ্যে চিকিৎসাকেন্দ্রের স্থান নির্বাচনের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রবাসী কর্মীদের প্রয়োজনীয় সব সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে সরকার সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।

বিমানবন্দরে প্রবাসীদের যাতায়াত ও অবস্থানের সুবিধার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী আরও বলেন, অনেক সময় সময়সূচি বিপর্যয় বা ফ্লাইট বিলম্বের কারণে প্রবাসী যাত্রীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। বিমানবন্দরটি শহর থেকে দূরে অবস্থিত হওয়ায় তাদের থাকা-খাওয়ার সমস্যা আরও বাড়ে। এ সমস্যা দূর করতে বিমানবন্দরের পাশে রেস্ট হাউস নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এতে যাত্রীরা যেকোনো পরিস্থিতিতে সেখানে স্বাচ্ছন্দ্যে অবস্থান করতে পারবেন।

পরে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সরকার গঠনের পর মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের মতো প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও গত সাত মাসে প্রায় ৪ লাখ ৩৪ হাজার কর্মী বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছেন। সামনের দিনগুলোতে শ্রমবাজারে আরও ভালো ফলাফল দেখা যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে প্রবাসীদের আইনি সহায়তা জোরদারের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা একটি প্রস্তাব উত্থাপন করেন। মন্ত্রী প্রস্তাবটি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেন এবং প্রবাসীদের আইনি সুরক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

অনুষ্ঠানে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদারসহ মন্ত্রণালয়, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন এবং বিমানবন্দর পরিচালনা কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

জাপানে স্থায়ী বসবাসের ফি বাড়লো ২০ গুণ!

যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও ৭ মাসে বিদেশে গেছে ৪ লাখ ৩৪ হাজার কর্মী

প্রকাশের সময় : ০২:৫৬:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও গত সাত মাসে প্রায় ৪ লাখ ৩৪ হাজার কর্মী বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি বলেন, প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও দেশের শ্রমবাজার ধরে রাখার পাশাপাশি সামনে আরও ভালো ফলাফল পাওয়ার আশা করছে সরকার।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অভ্যন্তরে প্রবাসী কর্মীদের স্বাচ্ছন্দ্যে লাগেজ পরিবহনের জন্য ট্রলি কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ও প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।

পরিদর্শনকালে মন্ত্রী বিদেশগামী যাত্রীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন এবং তাদের সুযোগ-সুবিধা, চাহিদা ও বিভিন্ন ভোগান্তির বিষয়ে খোঁজখবর নেন।

মন্ত্রী বলেন, বিদেশগামী কর্মীদের অবশ্যই দক্ষ হয়ে প্রবাসে যেতে হবে। দক্ষ কর্মী পাঠাতে না পারলে শুধু সংখ্যা বাড়িয়ে লাখ লাখ কর্মী পাঠিয়ে দেশের কোনো প্রকৃত লাভ হবে না।

যাত্রীদের স্বাস্থ্যসেবার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের উদ্দেশে তিনি বলেন, প্রবাসী কর্মীদের সুবিধার্থে এখানে দ্রুত একটি জরুরি চিকিৎসাকেন্দ্র স্থাপন করতে হবে। এরইমধ্যে চিকিৎসাকেন্দ্রের স্থান নির্বাচনের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রবাসী কর্মীদের প্রয়োজনীয় সব সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে সরকার সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।

বিমানবন্দরে প্রবাসীদের যাতায়াত ও অবস্থানের সুবিধার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী আরও বলেন, অনেক সময় সময়সূচি বিপর্যয় বা ফ্লাইট বিলম্বের কারণে প্রবাসী যাত্রীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। বিমানবন্দরটি শহর থেকে দূরে অবস্থিত হওয়ায় তাদের থাকা-খাওয়ার সমস্যা আরও বাড়ে। এ সমস্যা দূর করতে বিমানবন্দরের পাশে রেস্ট হাউস নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এতে যাত্রীরা যেকোনো পরিস্থিতিতে সেখানে স্বাচ্ছন্দ্যে অবস্থান করতে পারবেন।

পরে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সরকার গঠনের পর মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের মতো প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও গত সাত মাসে প্রায় ৪ লাখ ৩৪ হাজার কর্মী বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছেন। সামনের দিনগুলোতে শ্রমবাজারে আরও ভালো ফলাফল দেখা যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে প্রবাসীদের আইনি সহায়তা জোরদারের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা একটি প্রস্তাব উত্থাপন করেন। মন্ত্রী প্রস্তাবটি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেন এবং প্রবাসীদের আইনি সুরক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

অনুষ্ঠানে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদারসহ মন্ত্রণালয়, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন এবং বিমানবন্দর পরিচালনা কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।