Dhaka ০২:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
English
সংবাদ শিরোনাম :
Logo অভিবাসী-শরণার্থীদের সহায়তায় বরাদ্দ ৮১০ মিলিয়ন ডলার বাতিলের পথে যুক্তরাষ্ট্র Logo এক চুক্তিতে হজের সব সেবা দেবে সৌদি Logo অনিয়মের জন্য ৪৯টি রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল Logo বাংলাদেশসহ ১৯ দেশের ওষুধে ১০০% শুল্ক ছাড়ের ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের Logo ৪ বছর বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশিদের জন্য খুললো মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার Logo বৈধ পথে শরণার্থী নেওয়ার কর্মসূচি ফের চালু করছে যুক্তরাজ্য Logo হিজাব ছাড়া গান গাওয়ায় ইরানি গায়িকার ৭৪ বেত্রাঘাতের সাজা বহাল Logo যুক্তরাষ্ট্রে স্টুডেন্ট ভিসা: বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা কীভাবে প্রস্তুতি নেবেন Logo ৬ দিন ধরে বাংলাদেশের ভিসা আবেদনের পোর্টাল ডাউন Logo অনুমোদন ছাড়াই পেমেন্ট সেবা, বাংলাদেশে ২২ প্ল্যাটফর্মকে অবৈধ ঘোষণা

ইরানের বিমান সংস্থার ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা থেকে অব্যাহতি চায় ইরাক

ইরানের বিমান সংস্থাগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা থেকে অব্যাহতি পেতে ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনা করছে ইরাক সরকার। এই নিষেধাজ্ঞার কারণে রোগী, শিক্ষার্থী ও ধর্মীয় তীর্থযাত্রীদের যাতায়াত ব্যাহত হচ্ছে। শনিবার ইরাক সরকার এ তথ্য জানিয়েছে।

চলতি সপ্তাহে ইরাকের সব বিমানবন্দরে নিষেধাজ্ঞাটি কার্যকর করা হয়েছে। এতে পবিত্র শহর নাজাফের বিমানবন্দরে বড় ধরনের ভোগান্তি দেখা দিয়েছে। ইরান থেকে ইরাকে আসা বেশিরভাগ ফ্লাইটের প্রধান গন্তব্য এই বিমানবন্দর। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

ইরাকি প্রধানমন্ত্রীর মিডিয়া অফিস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘কিছু ইরাকি বিমানবন্দরকে এসব নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত করার জন্য ইরাক সরকার মার্কিন পক্ষের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করছে।’

বিবৃতিতে বলা হয়, অব্যাহতি দেওয়া হলে ‘মানবিক কারণে—চিকিৎসা, শিক্ষা, ধর্মীয় সফর ও বেসামরিক মানুষের স্বার্থে’ ফ্লাইট চলাচল আবার শুরু করা সম্ভব হবে।

ইরানের বিমান সংস্থাগুলো মূলত ইরাকের শিয়া ধর্মাবলম্বী তীর্থযাত্রীদেরকে ইরানের পবিত্র শহরগুলোতে নিয়ে যায়। একইভাবে ইরানের পবিত্র ধর্মীয় স্থানগুলো পরিদর্শনে যাওয়া ইরানিদেরও এসব ফ্লাইটে যাতায়াত হয়।

এ ছাড়া ইরানে পড়াশোনা করা ইরাকি শিক্ষার্থী এবং সেখানে চিকিৎসা নিতে যাওয়া ইরাকি রোগীরাও এসব ফ্লাইটের ওপর নির্ভরশীল।

এএফপিকে কয়েকজন ইরাকি নাগরিক জানিয়েছেন, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ায় তারা বিকল্প পথ খুঁজতে হিমশিম খাচ্ছেন।

কেউ কেউ আশঙ্কা করছেন, তারা ইরানে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিতে পারবেন না। আবার কেউ ইরানে আটকা পড়েছেন এবং ১২ ঘণ্টারও বেশি সময়ের স্থলপথে যাত্রা করে দেশে ফেরার ছাড়া তেমন কোনো বিকল্প দেখছেন না।

ইরানের বিমান সংস্থাগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা কার্যকরে সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ আরও কয়েকটি দেশের সঙ্গে ইরাকও যোগ দিয়েছে।

বুধবার মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেছিলেন, ইরানের বিমান সংস্থাগুলোকে ‘বন্ধ করে দেওয়া হবে’।

শিয়া সংখ্যাগরিষ্ঠ দুই প্রতিবেশী দেশ ইরাক ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। ধর্মীয় সম্পর্কের পাশাপাশি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থও দুই দেশের ঘনিষ্ঠতার অন্যতম কারণ।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর ফেব্রুয়ারির শুরুতেই ইরাকি বিমান সংস্থাগুলো ইরানে ফ্লাইট পরিচালনা বন্ধ করে দেয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

অভিবাসী-শরণার্থীদের সহায়তায় বরাদ্দ ৮১০ মিলিয়ন ডলার বাতিলের পথে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের বিমান সংস্থার ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা থেকে অব্যাহতি চায় ইরাক

প্রকাশের সময় : ০৯:১০:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইরানের বিমান সংস্থাগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা থেকে অব্যাহতি পেতে ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনা করছে ইরাক সরকার। এই নিষেধাজ্ঞার কারণে রোগী, শিক্ষার্থী ও ধর্মীয় তীর্থযাত্রীদের যাতায়াত ব্যাহত হচ্ছে। শনিবার ইরাক সরকার এ তথ্য জানিয়েছে।

চলতি সপ্তাহে ইরাকের সব বিমানবন্দরে নিষেধাজ্ঞাটি কার্যকর করা হয়েছে। এতে পবিত্র শহর নাজাফের বিমানবন্দরে বড় ধরনের ভোগান্তি দেখা দিয়েছে। ইরান থেকে ইরাকে আসা বেশিরভাগ ফ্লাইটের প্রধান গন্তব্য এই বিমানবন্দর। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

ইরাকি প্রধানমন্ত্রীর মিডিয়া অফিস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘কিছু ইরাকি বিমানবন্দরকে এসব নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত করার জন্য ইরাক সরকার মার্কিন পক্ষের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করছে।’

বিবৃতিতে বলা হয়, অব্যাহতি দেওয়া হলে ‘মানবিক কারণে—চিকিৎসা, শিক্ষা, ধর্মীয় সফর ও বেসামরিক মানুষের স্বার্থে’ ফ্লাইট চলাচল আবার শুরু করা সম্ভব হবে।

ইরানের বিমান সংস্থাগুলো মূলত ইরাকের শিয়া ধর্মাবলম্বী তীর্থযাত্রীদেরকে ইরানের পবিত্র শহরগুলোতে নিয়ে যায়। একইভাবে ইরানের পবিত্র ধর্মীয় স্থানগুলো পরিদর্শনে যাওয়া ইরানিদেরও এসব ফ্লাইটে যাতায়াত হয়।

এ ছাড়া ইরানে পড়াশোনা করা ইরাকি শিক্ষার্থী এবং সেখানে চিকিৎসা নিতে যাওয়া ইরাকি রোগীরাও এসব ফ্লাইটের ওপর নির্ভরশীল।

এএফপিকে কয়েকজন ইরাকি নাগরিক জানিয়েছেন, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ায় তারা বিকল্প পথ খুঁজতে হিমশিম খাচ্ছেন।

কেউ কেউ আশঙ্কা করছেন, তারা ইরানে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিতে পারবেন না। আবার কেউ ইরানে আটকা পড়েছেন এবং ১২ ঘণ্টারও বেশি সময়ের স্থলপথে যাত্রা করে দেশে ফেরার ছাড়া তেমন কোনো বিকল্প দেখছেন না।

ইরানের বিমান সংস্থাগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা কার্যকরে সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ আরও কয়েকটি দেশের সঙ্গে ইরাকও যোগ দিয়েছে।

বুধবার মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেছিলেন, ইরানের বিমান সংস্থাগুলোকে ‘বন্ধ করে দেওয়া হবে’।

শিয়া সংখ্যাগরিষ্ঠ দুই প্রতিবেশী দেশ ইরাক ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। ধর্মীয় সম্পর্কের পাশাপাশি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থও দুই দেশের ঘনিষ্ঠতার অন্যতম কারণ।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর ফেব্রুয়ারির শুরুতেই ইরাকি বিমান সংস্থাগুলো ইরানে ফ্লাইট পরিচালনা বন্ধ করে দেয়।